অনলাইন জিডি

গুরুত্বপূর্ণ একটি ডকুমেন্ট অসাবধানে হারিয়ে ফেলেছি। এখন ডুপ্লিকেট তুলতে গেলে আগে থানায় জিডি করতে হবে।

বেশ আগে একবার অনলাইন জিডি’র কথা শুনেছিলাম। গুগলে সার্চ দিতেই বেশ কিছু ব্লগ এবং ইউটিউব ভিডিও’র লিংক পাওয়া গেলো। ২/৩ টা পড়ে / দেখে বেশ ভাল লাগলো। জিডি করতে আর থানায় যেতে হবে না। ঘরে বসেই হয়ে যাবে।

অনলাইন মানে একটা মোবাইল এপ ডাউনলোড করতে হবে। ব্রাউজারে ওপেন করলে কেবল তথ্য দেয় কিভাবে কি করতে হবে। শেষে গুগল প্লে ষ্টোরে সেই এপ এর লিংক।

গুগল প্লে ষ্টোরে এপ ডাউনলোড করার সময় খেয়াল করলাম একই নামে একই প্রতিষ্ঠান (বাংলাদেশ পুলিশ) এর আরেকটি এপ আছে। একটু কনফিউজড হয়ে গেলাম। প্রথম এপটি ৩০ মেগাবাইট, ২য়টি ১৭ মেগাবাইট।

এপ ইনষ্টল করার পর ওপেন করলাম। নিবন্ধন বাটনে ক্লিক করার পর আবার আমাকে প্লে ষ্টোরে নিয়ে গেলো ২য় এপটি ইনষ্টল করার জন্য। করলাম। এবার নিবন্ধন বাটনে ক্লিক করার পর আমার NID এবং জন্ম তারিখ দিতে বললো। দিয়ে নিবন্ধন বাটনে ক্লিক করার পর কিছুক্ষণ একটা বৃত্ত ঘুরলো তারপর ওয়ার্নিং দিলো সঠিক NID এবং জন্ম তারিখ দেয়ার জন্য। সব চেক করে যত বারই সাবমিট করি একই ওয়ার্নিং দেখায়। পুরাই হতোদ্যম অবস্থা।

দুটো এপ এরই কিছু রিভিউ পড়লাম। বেশীরভাগই একই অভিযোগ করেছেন। এপ কাজ করে না। প্রথম এপ এর ডেসক্রিপশনে বলা আছে NID সংক্রান্ত বাগ ফিক্স করা হয়েছে।

কি বলবো বুঝতে পারছি না। চমৎকার একটি উদ্যোগ মাঠে মারা গেছে বলা চলে।

রিফাত জামিল ইউসুফজাই

জাতিতে বাঙ্গালী, তবে পূর্ব পূরুষরা নাকি এসেছিলো আফগানিস্তান থেকে - পাঠান ওসমান খানের নেতৃত্বে মোঘলদের বিরুদ্ধে লড়াই করতে। লড়াই এ ওসমান খান নিহত এবং তার বাহিনী পরাজিত ও পর্যূদস্ত হয়ে ছড়িয়ে পড়ে টাঙ্গাইলের ২২ গ্রামে। একসময় কালিহাতি উপজেলার চারাণ গ্রামে থিতু হয় তাদেরই কোন একজন। এখন আমি থাকি বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকায়। কোন এককালে শখ ছিলো শর্টওয়েভ রেডিও শোনা। প্রথম বিদেশ ভ্রমণে একমাত্র কাজ ছিলো একটি ডিজিটাল রেডিও কেনা। ১৯৯০ সালে ষ্টকহোমে কেনা সেই ফিলিপস ডি ২৯৩৫ রেডিও এখনও আছে। দিন-রাত রেডিও শুনে রিসেপশন রিপোর্ট পাঠানো আর QSL কার্ড সংগ্রহ করা - নেশার মতো ছিলো সেসময়। আস্তে আস্তে সেই শখ থিতু হয়ে আসে। জায়গা নেয় ছবি তোলা। এখনও শিখছি এবং তুলছি নানা রকম ছবি। কয়েক মাস ধরে শখ হয়েছে ক্র্যাফটিং এর। মূলত গয়না এবং নানা রকম কার্ড তৈরী, সাথে এক-আধটু স্ক্র্যাপবুকিং। সাথে মাঝে মধ্যে ব্লগ লেখা আর জাবর কাটা। এই নিয়েই চলছে জীবন বেশ।