বাংলাদেশ বেতারের জনপ্রিয় অনুষ্ঠান

বাংলাদেশ বেতারের কিছু জনপ্রিয় অনুষ্ঠানের সময়সূচী

 

০১. মহানগর
প্রতিদিন সকাল ৭:৩০ মিনিটে

০২. আমি মিনা বলছি
প্রতি শুক্রবার সকাল ১০:০০ মিনিটে

০৩. হৃদয়ের বাতিঘর
প্রতি শুক্রবার সকাল ১১:০০ মিনিটে

০৪. আনন্দ আনন্দ
প্রতি শুক্রবার সন্ধ্যা ০৬:০০ মিনিটে

০৫. সিনে রং
প্রতি শনিবার বিকাল ০৪:০০ মিনিটে

০৬. ডাকবাক্স
প্রতি রবিবার রাত ০৮:১০ মিনিটে

০৭. নিহার বানু
প্রতি মঙ্গলবার রাত ০৮:১০ মিনিটে

০৮. আমজনতার বাইস্কোপ
প্রতি মঙ্গলবার রাত ১০:৩০ মিনিটে

০৯. পুষ্টি বিষয়ক বেতার ক্যাম্পেইন
প্রতি বুধবার দুপুর ০২:২০ মিনিটে

১০. বেতার ম্যাগাজিন উত্তরণ
প্রতিদিন (শনিবার বাদে) রাত ০৯:০০ মিনিটে

১১. চোখের আলোয় নবজীবন
প্রতি বৃহস্পতিবার ০৩:০৫ মিনিটে

১২. ক্রীড়াঙ্গন
প্রতি বৃহস্পতিবার রাত ১০:০৫ মিনিটে

১৩. গানের আসর
প্রতি রবিবার ও সোমবার সকাল ০৯:০৫ মিনিটে

১৪. কথায় গানে সঙ্গীত মালা
প্রতি মঙ্গলবার সকাল ১১:৩০ মিনিটে

১৫. আমাদের কথা আমাদের গান
প্রতি রবিবার বিকেল ০৪:০৫ মিনিটে

১৬. চিঠিপত্র জবাব এর অনুষ্ঠান সমীপেষু
প্রতি শনিবার রাত ০৯:০৫ মিনিটে

১৭. ইমেইল এর জবাব ই সমীপেষু
প্রতি শুক্রবার রাত ০৮:১০ মিনিটে

১৮. গানে গানে নিটল-টাটা পথচলা
প্রতি সোমবার দুপুর ০২:১০ মিনিটে

১৯. সোয়ান পণ্য গানে বিনোদনে অনন্যা
মাসের দ্বিতীয় শুক্রবারও চতুর্থ শুক্রবার 
বিকাল ০৩:০৫ মিনিটে

২০. হারবাল লক্ষীবিলাস কেশ তেল
প্রতি শুক্রবার দুপুর ০২:৩০ মিনিটে

২১. গানের ডালি
প্রতিদিন সকাল ১০:০০ মিনিটে

২২. ঝংকার
প্রতিদিন বিকেল ০৫:০০ মিনিটে

২৩. নিবেদন
প্রতি রবিবার রাত ১০:০০ মিনিটে

২৪. রুপালি পর্দায় কিছুক্ষণ
প্রতি শনিবার ১০:২০ মিনিটে

২৫. হাঁস মার্কা নারিকেল তেল গানের দোলা
প্রতি বৃহস্পতিবার দুপুর ০২:৩০ মিনিটে

রিফাত জামিল ইউসুফজাই

জাতিতে বাঙ্গালী, তবে পূর্ব পূরুষরা নাকি এসেছিলো আফগানিস্তান থেকে - পাঠান ওসমান খানের নেতৃত্বে মোঘলদের বিরুদ্ধে লড়াই করতে। লড়াই এ ওসমান খান নিহত এবং তার বাহিনী পরাজিত ও পর্যূদস্ত হয়ে ছড়িয়ে পড়ে টাঙ্গাইলের ২২ গ্রামে। একসময় কালিহাতি উপজেলার চারাণ গ্রামে থিতু হয় তাদেরই কোন একজন। এখন আমি থাকি বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকায়। কোন এককালে শখ ছিলো শর্টওয়েভ রেডিও শোনা। প্রথম বিদেশ ভ্রমণে একমাত্র কাজ ছিলো একটি ডিজিটাল রেডিও কেনা। ১৯৯০ সালে ষ্টকহোমে কেনা সেই ফিলিপস ডি ২৯৩৫ রেডিও এখনও আছে। দিন-রাত রেডিও শুনে রিসেপশন রিপোর্ট পাঠানো আর QSL কার্ড সংগ্রহ করা - নেশার মতো ছিলো সেসময়। আস্তে আস্তে সেই শখ থিতু হয়ে আসে। জায়গা নেয় ছবি তোলা। এখনও শিখছি এবং তুলছি নানা রকম ছবি। কয়েক মাস ধরে শখ হয়েছে ক্র্যাফটিং এর। মূলত গয়না এবং নানা রকম কার্ড তৈরী, সাথে এক-আধটু স্ক্র্যাপবুকিং। সাথে মাঝে মধ্যে ব্লগ লেখা আর জাবর কাটা। এই নিয়েই চলছে জীবন বেশ।