ফেলুদা ফেরত

অবশেষে অনলাইন ষ্ট্রিমিং সার্ভিসে দেখে ফেললাম ফেলুদা ফেরত। ছোটবেলায় সত্যজিত রায়ের লেখা ফেলুদা সিরিজের কিছু বই পড়েছিলাম বটে, তবে ছায়াচবি দেখি নাই। ছায়াছবি দেখা শুরু মাত্র কয়েকমাস আগে, ইউটিউবে। সত্যজিত রায়ের পরিচালনা করা মনে হয় দুটি ছায়াছবি দেখেছি, বাকি গুলি ছিলো তার ছেলের পরিচালনা করা। আর এবার দেখলাম সৃজিত মূখার্জির পরিচালনায় ওয়েব সিরিজ। আমি ঠিক সেই অর্থে চলচ্চিত্র বোদ্ধা নই, তাই কোন তুলনামূলক সমালোচনা করছি না। এই সিরিজটি নির্মান করা হয়েছে ছিন্নমন্তার অভিশাপ অবলম্বনে।

আমাকে যদি প্রশ্ন করা হয় এই সিরিজে ফেলুদা (টোটা রায় চৌধূরী), জটায়ু (অনির্বান চক্রবর্তী) আর তোপসের (কল্পন) মধ্যে কাকে বেশী ভাল লেগেছে আমি বলবো জটায়ু’কে। বাকি দূ’জনও বেশ ভাল অভিনয় করেছেন। সেই সাথে ভাল লেগেছে মহেশ চৌধূরী (ধৃতিমান চট্টোপাধ্যায়) অভিনয়।

কোন বিষয়টি খারাপ লেগেছে ? তেমন কিছু বলতে পারছি না আপাতত।

এটি দেখতে পারবেন আড্ডাটাইমস এ। তবে আমি দেখেছি ওয়ানফ্লিক্স এ। আপনিও দেখতে পারেন।

রিফাত জামিল ইউসুফজাই

জাতিতে বাঙ্গালী, তবে পূর্ব পূরুষরা নাকি এসেছিলো আফগানিস্তান থেকে - পাঠান ওসমান খানের নেতৃত্বে মোঘলদের বিরুদ্ধে লড়াই করতে। লড়াই এ ওসমান খান নিহত এবং তার বাহিনী পরাজিত ও পর্যূদস্ত হয়ে ছড়িয়ে পড়ে টাঙ্গাইলের ২২ গ্রামে। একসময় কালিহাতি উপজেলার চারাণ গ্রামে থিতু হয় তাদেরই কোন একজন। এখন আমি থাকি বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকায়। কোন এককালে শখ ছিলো শর্টওয়েভ রেডিও শোনা। প্রথম বিদেশ ভ্রমণে একমাত্র কাজ ছিলো একটি ডিজিটাল রেডিও কেনা। ১৯৯০ সালে ষ্টকহোমে কেনা সেই ফিলিপস ডি ২৯৩৫ রেডিও এখনও আছে। দিন-রাত রেডিও শুনে রিসেপশন রিপোর্ট পাঠানো আর QSL কার্ড সংগ্রহ করা - নেশার মতো ছিলো সেসময়। আস্তে আস্তে সেই শখ থিতু হয়ে আসে। জায়গা নেয় ছবি তোলা। এখনও শিখছি এবং তুলছি নানা রকম ছবি। কয়েক মাস ধরে শখ হয়েছে ক্র্যাফটিং এর। মূলত গয়না এবং নানা রকম কার্ড তৈরী, সাথে এক-আধটু স্ক্র্যাপবুকিং। সাথে মাঝে মধ্যে ব্লগ লেখা আর জাবর কাটা। এই নিয়েই চলছে জীবন বেশ।