বিনামূল্যে ছবি

অনেক সময়ই আমাদের নানা কাজে নানারকম ছবির প্রয়োজন হয়। সেটি হতে পারে কোন ব্যক্তিগত প্রকল্পের জন্য, হতে পারে ছোটখাট কোন বানিজ্যিক কাজের জন্য কিংবা কোন কিছু শেখা বা আয়ত্ব করার জন্য। আমি যেমন ইদানিং ফটোশপ শেখার চেষ্টা করছি। আর এ জন্য দরকার হয় নানা রকম ছবি। সব সময় চটজলদি এসব ছবি নিজে তোলা যায় না। আবার নানা প্রতিকুলতার কারণে হয়তো পছন্দসই ছবি্ তোলাও হয় না। অন্তর্জালে গুগল অনুসন্ধানে অজস্র ছবি পাওয়া যায়। সাধারণ অনুশীলনের জন্য হয়তো এসব ছবি ব্যবহারযোগ্য, তবে অন্য কোন কারণ থাকলে এসব ছবি আসলে ব্যবহার করা যায় না। কপিরাইটের ঝামেলা থেকেই যায়। ব্যবহার করতে চাইলে হয়তো মূল্যের বিনিময়ে আপনাকে ছবি সংগ্রহ করতে হবে। এজন্য প্রচুর ষ্টক ফটো / ভিডিও সাইট গড়ে উঠেছে, যেখান থেকে আপনি আপনার প্রয়োজনীয় ছবি, ভিডিও ইত্যাদি কিনতে পারবেন।

তবে আশার কথা হলো অন্তর্জালে বেশ কিছু সাইট আছে যেখানে আপনি সম্পূর্ন বিনামূল্যে অনেক ছবি পাবেন ব্যবহারের জন্য। কেবল যেখানে ব্যবহার করবেন সেখানে ছবির মূল কারিগর এবং সাইটের যথাযথ সম্মান (credit) দিলেও চলবে। অনেক সময় সেটি না দিলেও চলে। এক এক সাইটের নিয়ম ভিন্ন, ব্যবহারবিধি এবং অনুমতির ধারাও ভিন্ন। তাই এসব সাইট থেকে ছবি / ভিডিও নামিয়ে ব্যবহারের পাশাপাশি তাদের নিয়ম-কানুন এবং অনুমতু সম্পর্কে বিস্তারিত জেনে নেয়া দরকার।

আসুন তাহলে এরকম কিছু সাইটের লিংক আপনাদের সাথে শেয়ার করি। আমি ব্যক্তিগত ভাবে ৯ এবং ১০ নাম্বার সাইট সব সময়ই ব্যবহার করছি।

০১. আনপ্লাশ
০২. ষ্টক স্ন্যাপ
০৩. পেক্সেল
০৪. লাইফ অফ পিক্স
০৫. লাইফ অফ ভিডস (ভিডিও ক্লিপ)
০৬. ব্রাষ্ট
০৭. ফ্রিরেঞ্জ
০৮. কাবুমপিক্স
০৯. উইকিমিডয়া কমন্স
১০. পিক্সাবে

আরো একটি জনপ্রিয় ফটো শেয়ারিং সাইট আছে, যেখানে এরকম বিনামূল্যের ছবি পাওয়া যায়। যদিও এই সাইটের এই ফিচারটি সম্পর্কে আমরা অনেকেই জানি না। ফ্লিকারে আমরা অনেকেই নিজেদের তোলা ছবি শেয়ার করছি। অথচ সেখানেই রয়েছে এরকম বিনামূল্যে ব্যবহার করার জন্য ছবির বিশাল এক সংগ্রহ। The Commons নামের এই ফিচারটি পাবেন Explore ট্যাবে। বিভিন্ন সংস্থা তাদের ছবি ব্যবহারের জন্য ইন্মুক্ত করে দিয়েছে। ছবি ব্যবহারের আগে Rights Statement অংশটি পড়ে নেয়ার অনুরোধ রইলো।

আজ এপর্যন্তই। আশা করি এই সাইটগুলো আপনার কাজে লাগবে।

রিফাত জামিল ইউসুফজাই

জাতিতে বাঙ্গালী, তবে পূর্ব পূরুষরা নাকি এসেছিলো আফগানিস্তান থেকে - পাঠান ওসমান খানের নেতৃত্বে মোঘলদের বিরুদ্ধে লড়াই করতে। লড়াই এ ওসমান খান নিহত এবং তার বাহিনী পরাজিত ও পর্যূদস্ত হয়ে ছড়িয়ে পড়ে টাঙ্গাইলের ২২ গ্রামে। একসময় কালিহাতি উপজেলার চারাণ গ্রামে থিতু হয় তাদেরই কোন একজন। এখন আমি থাকি বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকায়। কোন এককালে শখ ছিলো শর্টওয়েভ রেডিও শোনা। প্রথম বিদেশ ভ্রমণে একমাত্র কাজ ছিলো একটি ডিজিটাল রেডিও কেনা। ১৯৯০ সালে ষ্টকহোমে কেনা সেই ফিলিপস ডি ২৯৩৫ রেডিও এখনও আছে। দিন-রাত রেডিও শুনে রিসেপশন রিপোর্ট পাঠানো আর QSL কার্ড সংগ্রহ করা - নেশার মতো ছিলো সেসময়। আস্তে আস্তে সেই শখ থিতু হয়ে আসে। জায়গা নেয় ছবি তোলা। এখনও শিখছি এবং তুলছি নানা রকম ছবি। কয়েক মাস ধরে শখ হয়েছে ক্র্যাফটিং এর। মূলত গয়না এবং নানা রকম কার্ড তৈরী, সাথে এক-আধটু স্ক্র্যাপবুকিং। সাথে মাঝে মধ্যে ব্লগ লেখা আর জাবর কাটা। এই নিয়েই চলছে জীবন বেশ।