বেতার নিয়ে …

১. কয়েকদিন ধরে বিকালবেলা টেকসান পিএল-৯৯০ নিয়ে বারান্দায় বসে রেডিও শুনছি। টেলিস্কোপিক এন্টেনা দিয়ে ভালই রিসেপশন হয়। খারাপ বিষয় হলো বিবিসি আর চায়না রেডিও ইন্টারন্যাশনাল ছাড়া আর কোন ষ্টেশনে ইংরেজী পাই নাই। সময় ৩:৩০ থেকে ৫:৩০ পর্যন্ত।
 
২. হালকা শীত থাকায় ইদানিং সকালে ঘুম থেকে উঠতে দেরী হচ্ছিলো। আগে মোবাইলে এলার্ম দিয়ে রাখতাম। কয়েকদিন ধরে রেডিও’তে এলার্ম দিয়ে রাখছি। ৬:২৫ এ এলার্ম এর সময় সেট করা। আর ষ্টেশন সেট করে দিয়েছি বাংলাদেশ বেতার ৬৯৩ কিলোহার্টজ। ৬:৩০ থেকে নিয়মিত অনুষ্ঠান শুরু হয়। ৬:৫৫ এ রেডিও অটো অফ হয়ে যায়। টেকসান এর বেশ কয়েকটি মডেলে এই এলার্ম সূবিধা আছে।
 
হ্যাপি ডিএক্সইং

রিফাত জামিল ইউসুফজাই

জাতিতে বাঙ্গালী, তবে পূর্ব পূরুষরা নাকি এসেছিলো আফগানিস্তান থেকে - পাঠান ওসমান খানের নেতৃত্বে মোঘলদের বিরুদ্ধে লড়াই করতে। লড়াই এ ওসমান খান নিহত এবং তার বাহিনী পরাজিত ও পর্যূদস্ত হয়ে ছড়িয়ে পড়ে টাঙ্গাইলের ২২ গ্রামে। একসময় কালিহাতি উপজেলার চারাণ গ্রামে থিতু হয় তাদেরই কোন একজন। এখন আমি থাকি বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকায়। কোন এককালে শখ ছিলো শর্টওয়েভ রেডিও শোনা। প্রথম বিদেশ ভ্রমণে একমাত্র কাজ ছিলো একটি ডিজিটাল রেডিও কেনা। ১৯৯০ সালে ষ্টকহোমে কেনা সেই ফিলিপস ডি ২৯৩৫ রেডিও এখনও আছে। দিন-রাত রেডিও শুনে রিসেপশন রিপোর্ট পাঠানো আর QSL কার্ড সংগ্রহ করা - নেশার মতো ছিলো সেসময়। আস্তে আস্তে সেই শখ থিতু হয়ে আসে। জায়গা নেয় ছবি তোলা। এখনও শিখছি এবং তুলছি নানা রকম ছবি। কয়েক মাস ধরে শখ হয়েছে ক্র্যাফটিং এর। মূলত গয়না এবং নানা রকম কার্ড তৈরী, সাথে এক-আধটু স্ক্র্যাপবুকিং। সাথে মাঝে মধ্যে ব্লগ লেখা আর জাবর কাটা। এই নিয়েই চলছে জীবন বেশ।