মশার উৎপাত

ভ্রামমান লাইব্রেরি থেকে বই আনলাম। নাম কিশোর জীবনীসমগ্র। শুরুতেই আছে কবি কালিদাস এর জীবনী। মজার বিষয় হলো তিনি নাকি আদতে খূব সহজ-সরল মানুষ ছিলেন। আর তাই সরলতা নিয়ে প্রচলিত আছে নানা কাহিনী।

কালিদাস বিয়ে করেছেন রাজকন্যাকে। বাসর ঘর সাজানো হয়েছে চমৎকার ভাবে। মশার অত্যাচার থেকে রক্ষার জন্য মশারীও টানানো আছে। কনে বসে আছে কালিদাসের অপেক্ষায়। অবশেষে কালিদাস আসলেন। কিন্তু বিছানায় না উঠে তিনি বিছানার চারিদিকে চক্কর দিতে থাকলেন। দিচ্ছেন তো দিচ্ছেনই, থামার নাম নেই। শেষে নববধূ সব লাজ লজ্জার মাথা খেয়ে বলেই বসলেন আপনি এভাবে ঘুরছেন কেন, বিছানায় উঠবেন না ? কথা শুনে কালিদাসের ঘোরা থামলো। মাথা চুলকে বললেন ঘরের তো কোন দরজা দেখি না।

তবে ঘটনা হলো সেই কোন আমলের কালিদাস, তার আমলেও মশার উৎপাত কত ভয়ঙ্কর ছিলো। এখনও আছে।

রিফাত জামিল ইউসুফজাই

জাতিতে বাঙ্গালী, তবে পূর্ব পূরুষরা নাকি এসেছিলো আফগানিস্তান থেকে - পাঠান ওসমান খানের নেতৃত্বে মোঘলদের বিরুদ্ধে লড়াই করতে। লড়াই এ ওসমান খান নিহত এবং তার বাহিনী পরাজিত ও পর্যূদস্ত হয়ে ছড়িয়ে পড়ে টাঙ্গাইলের ২২ গ্রামে। একসময় কালিহাতি উপজেলার চারাণ গ্রামে থিতু হয় তাদেরই কোন একজন। এখন আমি থাকি বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকায়। কোন এককালে শখ ছিলো শর্টওয়েভ রেডিও শোনা। প্রথম বিদেশ ভ্রমণে একমাত্র কাজ ছিলো একটি ডিজিটাল রেডিও কেনা। ১৯৯০ সালে ষ্টকহোমে কেনা সেই ফিলিপস ডি ২৯৩৫ রেডিও এখনও আছে। দিন-রাত রেডিও শুনে রিসেপশন রিপোর্ট পাঠানো আর QSL কার্ড সংগ্রহ করা - নেশার মতো ছিলো সেসময়। আস্তে আস্তে সেই শখ থিতু হয়ে আসে। জায়গা নেয় ছবি তোলা। এখনও শিখছি এবং তুলছি নানা রকম ছবি। কয়েক মাস ধরে শখ হয়েছে ক্র্যাফটিং এর। মূলত গয়না এবং নানা রকম কার্ড তৈরী, সাথে এক-আধটু স্ক্র্যাপবুকিং। সাথে মাঝে মধ্যে ব্লগ লেখা আর জাবর কাটা। এই নিয়েই চলছে জীবন বেশ।