মাস্কের ব্যবহার

করোনাময় এই সময়ে বাইরে যেতে হলে মাস্ক পরিধান করা অবশ্য কর্তব্য। বাজারে এখন নানা ধরনের মাস্ক পাওয়া যাচ্ছে। আমরা সাধারণত কম দামী মাস্ক ব্যবহার করি এবং অনেকেই মনে করছি এগুলো ধূয়ে বার বার ব্যবহার করা যাবে। আসলেই কি তাই !?!

১. এন৯৫ হলো বাজারে প্রচলিত মাস্কের মধ্যে সবচেয়ে উন্নত এবং বেশ দামী। প্রতিটির বর্তমান দাম প্রায় ৮০০ টাকা। সরকারী গাইডলাইন মোতাবেক এটি বার বার ব্যবহার করা যাবে, তবে বেশ কিছু নিয়ম মেনে। আপনাকে ৭ দিনের জন্য মোট ৭টি মাস্ক কিনতে হবে। প্রথম দিন ১ম মাস্কটি প্রথম দিন ব্যবহারের পর একটি এয়ারটাইট প্লাষ্টিকের ব্যাগে ভরে আলো-বাতাসযুক্ত স্থানে রেখে দিতে হবে। এভাবে দ্বিতীয় দিন ২য় মাস্কটি ব্যবহারের পর একইভাবে এয়ারটাইট ব্যাগে রেখে দিতে হবে। সপ্তম দিন ৭ম মাস্কটি ব্যবহারের পর এভাবে ষ্টোর করার পর অষ্টম দিনে আপনি ১ম মাস্কটি পুনরায় ব্যবহার করবেন। এভাবে এই ৭টি মাস্ক সর্বোচ্চ ২ মাস পর্যন্ত ব্যবহার করা যাবে। এই মাস্কগুলো কোন ভাবেই পানিতে ধোয়া বা এর উপর কোন জীবাণুনাশক স্প্রে ছিটানো যাবে না। আবার যদি কোন মাস্কে রক্ত বা সর্দি হাচি কাশি লেগে যায় বা পানি লেগে যায় যেটায় এর কোয়ালিটি নষ্ট হতে পারে তাহলে সেটাকে আর পুনরায় ব্যবহার করা যাবে না।

২.  কেএন৯৫ মাস্ক এন৯৫ মাস্কেরই চাইনিজ ভার্শন। এটির দাম অপেক্ষাকৃত কম। বর্তমানে ১০০-২০০ টাকায় এই কেএন৯৫ মাস্ক পাওয়া যায়। এটিও এন৯৫ মাস্কের মতো নিয়ম মেনে ব্যবহার করা যাবে।

৩. সার্জিক্যাল মাস্ক আগের দু’টো মাস্কের মতো ততোটা কার্যকরী না। এটি পুনরায় ব্যবহারযোগ্য মাস্কও না। একদিনে সর্বোচ্চ ৬ ঘন্টা ব্যবহারের পর এটি ফেলে দিতে হবে।

৪. ঘরে তৈরী কাপড়ের মাস্ক – এগুলো সবচেয়ে কম কার্যকরী মাস্ক। বাতাসে ভাসমান ড্রপলেট (হাঁচি-কাশির ফলে যে সুক্ষ কণা বেস হয়ে আসে) থেকে এগুলো আপনাকে হয়তো রক্ষা করবে। তবে এগুলো সাবান পানি দিয়ে পরিস্কার করে পুনঃব্যবহার করা যাবে। মনে রাখতে হবে সাধারণ মানুষ অল্প সময়ের জন্য বাইরে গেলে এসব মাস্ক ব্যবহার করতে পারবে। স্বাস্থ্য সেবাদানকারী দের জন্য এই মাস্ক না।

প্রয়োজনে এই ভিডিও’টি দেখে নিতে পারেন।

রিফাত জামিল ইউসুফজাই

জাতিতে বাঙ্গালী, তবে পূর্ব পূরুষরা নাকি এসেছিলো আফগানিস্তান থেকে - পাঠান ওসমান খানের নেতৃত্বে মোঘলদের বিরুদ্ধে লড়াই করতে। লড়াই এ ওসমান খান নিহত এবং তার বাহিনী পরাজিত ও পর্যূদস্ত হয়ে ছড়িয়ে পড়ে টাঙ্গাইলের ২২ গ্রামে। একসময় কালিহাতি উপজেলার চারাণ গ্রামে থিতু হয় তাদেরই কোন একজন। এখন আমি থাকি বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকায়। কোন এককালে শখ ছিলো শর্টওয়েভ রেডিও শোনা। প্রথম বিদেশ ভ্রমণে একমাত্র কাজ ছিলো একটি ডিজিটাল রেডিও কেনা। ১৯৯০ সালে ষ্টকহোমে কেনা সেই ফিলিপস ডি ২৯৩৫ রেডিও এখনও আছে। দিন-রাত রেডিও শুনে রিসেপশন রিপোর্ট পাঠানো আর QSL কার্ড সংগ্রহ করা - নেশার মতো ছিলো সেসময়। আস্তে আস্তে সেই শখ থিতু হয়ে আসে। জায়গা নেয় ছবি তোলা। এখনও শিখছি এবং তুলছি নানা রকম ছবি। কয়েক মাস ধরে শখ হয়েছে ক্র্যাফটিং এর। মূলত গয়না এবং নানা রকম কার্ড তৈরী, সাথে এক-আধটু স্ক্র্যাপবুকিং। সাথে মাঝে মধ্যে ব্লগ লেখা আর জাবর কাটা। এই নিয়েই চলছে জীবন বেশ।