শখের কেনাকাটা

মাঝে মধ্যে কিছু জিনিস কিনে ফেলি অনেকটা হুজুগের বসে। সেদিন দরকারী কিছু জিনিস কিনতে গিয়ে ছোট একটা ইউএসবি লাইট চোখে পরলো। দাম ও কম। কিনে ফেললাম। সাথে একটা ম্যাগনেটিক চার্জার। যদিও ম্যাগনেটিক চার্জারের ম্যাগনেট খূব একটা শক্তিশালী মনে হলো না।

বলছিলাম দারাজ থেকে কেনাকাটার কথা। এই ছোট ছোট ইউএসবি লাইট গুলোর দাম ২৮ টাকা করে। ইচ্ছে ছিলো গোটা চারেক অর্ডার করার। কিন্তু কি মনে করে একটাই অর্ডার করেছিলাম। সাথে একটি ম্যাগনেটিক চার্জার। ইউএসবি লাইট বেশ ভালই মনে হলো। অবশ্য এটি কতদিন টিকবে তাও বিবেচ্য। জরুরী প্রয়োজনে বেশ কাজে দিবে মনে হয়। যেমন হঠাৎ করে কারন্ট গেলে বাথরুম ইত্যাদি জায়গায় যেখানে আইপিএস এর লাইন থাকে না সাধারণত সেখানে যে কোন একটা পাওয়ার ব্যাংকের সাথে ব্যবহার করতে পারেন। এরকম একটি পাওয়ার ব্যাংকেরও হদিস পেয়েছি। সময় মতো সেটির খবরও দিবো আশা করি।

ম্যাগনেটিক চার্জারের সাথে দু’টো এটাচমেন্ট আছে, একটি ইউএসবি সি টাইপের জন্য অন্যটি মাইক্রো ইউএসবি পোর্টের জন্য। ম্যাগনেট ততোটা শক্তিশালি না। মোবাইল এবং তার একটু উপর নিচ হলেই ম্যাগনেট কাত হয়ে যায়, চার্জিং ব্যাহত হয়। তবে ক্যাবলের কোয়ালিটি বেশ ভালই। দাম ১৮০ টাকা।

সেলার হলো ইডেন কালেকশন। এই দু’টো প্রোডাক্টে আমার খরচ হয়েছে ২০৮ টাকা। আমি দারাজ হাব থেকে ডেলিভারী নেয়ায় আমার কোন শিপিং চার্জ দিতে হয়নি। দারাজ হাব থেকে ডেলিভারী নিলে নিঃসন্দেহে আপনি লাভবান হবেন। চিন্তা করে দেখেন ২৮ টাকার একটি লাইটে যদি ৬০ টাকা শিপিং লাগে তাহলে অনলাইন কেনাকাটায় কোন লাভই থাকলো না। ছোটখাট হালকা জিনিসের জন্য তাই দারাজ হাব থেকে ডেলিভারী নেয়াটাই বুদ্ধিমানের কাজ।

আজ আপাতত এই পর্যন্তই। ভাল থাকবেন।

রিফাত জামিল ইউসুফজাই

জাতিতে বাঙ্গালী, তবে পূর্ব পূরুষরা নাকি এসেছিলো আফগানিস্তান থেকে - পাঠান ওসমান খানের নেতৃত্বে মোঘলদের বিরুদ্ধে লড়াই করতে। লড়াই এ ওসমান খান নিহত এবং তার বাহিনী পরাজিত ও পর্যূদস্ত হয়ে ছড়িয়ে পড়ে টাঙ্গাইলের ২২ গ্রামে। একসময় কালিহাতি উপজেলার চারাণ গ্রামে থিতু হয় তাদেরই কোন একজন। এখন আমি থাকি বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকায়। কোন এককালে শখ ছিলো শর্টওয়েভ রেডিও শোনা। প্রথম বিদেশ ভ্রমণে একমাত্র কাজ ছিলো একটি ডিজিটাল রেডিও কেনা। ১৯৯০ সালে ষ্টকহোমে কেনা সেই ফিলিপস ডি ২৯৩৫ রেডিও এখনও আছে। দিন-রাত রেডিও শুনে রিসেপশন রিপোর্ট পাঠানো আর QSL কার্ড সংগ্রহ করা - নেশার মতো ছিলো সেসময়। আস্তে আস্তে সেই শখ থিতু হয়ে আসে। জায়গা নেয় ছবি তোলা। এখনও শিখছি এবং তুলছি নানা রকম ছবি। কয়েক মাস ধরে শখ হয়েছে ক্র্যাফটিং এর। মূলত গয়না এবং নানা রকম কার্ড তৈরী, সাথে এক-আধটু স্ক্র্যাপবুকিং। সাথে মাঝে মধ্যে ব্লগ লেখা আর জাবর কাটা। এই নিয়েই চলছে জীবন বেশ।