ইদানিং ফটোগ্রাফি

করোনা কালে বাইলে বের হচ্ছি কম। খূব একটা প্রয়োজন না হলে বেরই হচ্ছি না। ফলে ফটোগ্রাফিও তেমন ভাবে করা হচ্ছে না। কিন্তু বছরের শুরুতেই ঠিক করেছিলাম প্রতিদিন একটি করে ছবি তুলবো। করোনার কারণে সেটি রীতিমতো হুমকির মুখে। তবে আশার কথা হলো এই আগষ্ট মাস পর্যন্ত একটি করে ছবি আমার ফ্লিকার একাউন্টে আপলোড করেছি। তবে এর মধ্যে কিছু ফাঁকি আছে। কয়েকদিন আসলেই ছবি তুলি নাই। সে কয়দিন ফটোশপ অনুশীলনের ছবি দিয়েছি। আর ছিলো কয়েকটি মোবাইল ফটো।

বাইরে যেতে না পেরে ঘরেই ছবি তুলেছি টুকটাক। এক্ষেত্রে টেবিলটপ ফটোগ্রাফি, টপ ডাউন বা ফ্ল্যাট লে ফটোগ্রাফি, প্রোডাক্ট ফটোগ্রফি, মিনিমালিষ্ট ফটোগ্রাফি – এসব বিষয়ই প্রাধান্য পেয়েছে। আমার পুরো ফ্লিকার এলবামটি ঘুরে আসতে পারেন এই লিংক থেকে।

এ বছর এপর্যন্ত (আগষ্ট ২০২০) মোট ৩টি ছবি এক্সপ্লোরাড হয়েছে। প্রথম যে ছবি ছবিটি এক্সপ্লোরড হয় সেটি একটি মাছির ছবি।

The Fly (Explored)

দ্বিতীয় ছবিটি ৩টি বিডস বা পুতির, পাশাপাশি রাখা ছিলো সাদা ব্যাকগ্রাউন্ডে।

Three Little Dots (Explored)

আর তৃতীয় ছবিটি ছিলো আমার ফটোশপ অনুশীলনের। ছবিটি বলা চলে হঠাৎ করেই তৈরী হয়ে গিয়েছিলো। এতে আমার আসলে বাহাদুরির কিছু ছিলো না। আমি কেবল কিছু প্যারামিটার পরিবর্তন করেছিলাম।

Graphics Design Practice (Explored)

এর আগে মাত্র দু’টি ছবি এক্সপ্লোরড হয়েছিলো। এটি ছবি ছিলো আমার প্রথম এক্সপ্লোরড হওয়া ছবি।

Terminalia catappa (Explored)

আর দ্বিতীয় এক্সপ্লোরড হওয়া ছবি হলো

Rose (Exp;ored)

আপনার কোন ছবি এক্সপ্লোরড হয়েছে কি ? যদি জানা না থাকে তবে এই ওয়েব সাইট থেকে সহজেই বের করতে পারেন আপনার কোন কোন ছবি ফ্লিকারে এক্সপ্লোরড হয়েছে। কেবল ফ্লিকারে যে ইমেইল এড্রেস দিয়ে রেজিষ্টেশন করেছিলেন সেটি দিবেন, বাকি দুই ঘরে কোন পরিবর্তন করার দরকার নেই। Applyএ ক্লিক করলেই পেয়ে যাবেন তালিকা।

Flickr Explored
আজ এপর্যন্তই। ভাল থাকুন, নিরাপদে থাকুন।

রিফাত জামিল ইউসুফজাই

জাতিতে বাঙ্গালী, তবে পূর্ব পূরুষরা নাকি এসেছিলো আফগানিস্তান থেকে - পাঠান ওসমান খানের নেতৃত্বে মোঘলদের বিরুদ্ধে লড়াই করতে। লড়াই এ ওসমান খান নিহত এবং তার বাহিনী পরাজিত ও পর্যূদস্ত হয়ে ছড়িয়ে পড়ে টাঙ্গাইলের ২২ গ্রামে। একসময় কালিহাতি উপজেলার চারাণ গ্রামে থিতু হয় তাদেরই কোন একজন। এখন আমি থাকি বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকায়। কোন এককালে শখ ছিলো শর্টওয়েভ রেডিও শোনা। প্রথম বিদেশ ভ্রমণে একমাত্র কাজ ছিলো একটি ডিজিটাল রেডিও কেনা। ১৯৯০ সালে ষ্টকহোমে কেনা সেই ফিলিপস ডি ২৯৩৫ রেডিও এখনও আছে। দিন-রাত রেডিও শুনে রিসেপশন রিপোর্ট পাঠানো আর QSL কার্ড সংগ্রহ করা - নেশার মতো ছিলো সেসময়। আস্তে আস্তে সেই শখ থিতু হয়ে আসে। জায়গা নেয় ছবি তোলা। এখনও শিখছি এবং তুলছি নানা রকম ছবি। কয়েক মাস ধরে শখ হয়েছে ক্র্যাফটিং এর। মূলত গয়না এবং নানা রকম কার্ড তৈরী, সাথে এক-আধটু স্ক্র্যাপবুকিং। সাথে মাঝে মধ্যে ব্লগ লেখা আর জাবর কাটা। এই নিয়েই চলছে জীবন বেশ।