ক্লাউনের দর্শন

গোসলের শ্যাম্পু প্রায় শেষের পথে। শেষবার কবে কিনেছিলাম মনে নাই। কারণ এর মধ্যে বিদেশ থেকে শ্যাম্পু পাঠিয়েছিলো আমার ভাগ্নী। সেটাই এখন পর্যন্ত চলছে। 

যাই হোক। শ্যাম্পুর সম্ভাব্য দাম জানার জন্য দারাজ এপে ঢুকলাম। দেশে উৎপাদিত শ্যাম্পুই প্রথম পছন্দ। তাই শ্যাম্পু ‘সানসিল্ক’ লিখে সার্চ দিতে প্রথম যে রেজাল্ট আসলো সেটাই ক্লিক করলাম। 

দাম ইত্যাদি দেখার পর রিভিউ দেখতে গিয়েই চক্ষু চড়ক গাছ। মোস্তাকিম নামের একজন নিজের নাম আর ফোন নাম্বার লিখে তারপর খূবই ভাল লিখেছে। সেটাও সমস্যা ছিলো না। এরপর সে বিভিন্ন পোজে তার বেশ কয়েকটি ছবি আপলোড করেছে। 

এর আগেও এরকম কয়েকজন ক্লাউন দেখেছিলাম। রিভিউ দিতে গিয়ে প্রোডাক্টের ছবি না দিয়ে নিজের ছবি দিয়ে রেখেছে। 

সেলুকাস ! কি বিচিত্র এই দেশ।

রিফাত জামিল ইউসুফজাই

জাতিতে বাঙ্গালী, তবে পূর্ব পূরুষরা নাকি এসেছিলো আফগানিস্তান থেকে - পাঠান ওসমান খানের নেতৃত্বে মোঘলদের বিরুদ্ধে লড়াই করতে। লড়াই এ ওসমান খান নিহত এবং তার বাহিনী পরাজিত ও পর্যূদস্ত হয়ে ছড়িয়ে পড়ে টাঙ্গাইলের ২২ গ্রামে। একসময় কালিহাতি উপজেলার চারাণ গ্রামে থিতু হয় তাদেরই কোন একজন। এখন আমি থাকি বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকায়। কোন এককালে শখ ছিলো শর্টওয়েভ রেডিও শোনা। প্রথম বিদেশ ভ্রমণে একমাত্র কাজ ছিলো একটি ডিজিটাল রেডিও কেনা। ১৯৯০ সালে ষ্টকহোমে কেনা সেই ফিলিপস ডি ২৯৩৫ রেডিও এখনও আছে। দিন-রাত রেডিও শুনে রিসেপশন রিপোর্ট পাঠানো আর QSL কার্ড সংগ্রহ করা - নেশার মতো ছিলো সেসময়। আস্তে আস্তে সেই শখ থিতু হয়ে আসে। জায়গা নেয় ছবি তোলা। এখনও শিখছি এবং তুলছি নানা রকম ছবি। কয়েক মাস ধরে শখ হয়েছে ক্র্যাফটিং এর। মূলত গয়না এবং নানা রকম কার্ড তৈরী, সাথে এক-আধটু স্ক্র্যাপবুকিং। সাথে মাঝে মধ্যে ব্লগ লেখা আর জাবর কাটা। এই নিয়েই চলছে জীবন বেশ।