টড হিডো

টড হিডো একজন আমেরিকান ফটোগ্রাফার। তার জন্ম ওহাইও’তে ১৯৬৮ সালের ২৫শে আগষ্ট। কাজ করেছেন সানফ্রান্সিসকো বে এরিয়াতে। বর্তমানে ক্যালিফোর্নিয়া কলেজ অফ আর্টস ইন সান ফ্রান্সিসকো’তে কর্মরত আছেন।

টড হিডো পরিচিত রাতে বাড়ীর ছবি এবং ঘরের আভ্যন্তরিন ছবি তোলার জন্য। এপর্যন্ত তার প্রায় ১৭টি বই প্রকাশিত হয়েছে। সেই সাথে ছবির প্রদর্শনী হয়েছে অসংখ্য।

আপাতত এই হলো টড হিডো সম্পর্কে প্রাথমিক তথ্য। আমার আগ্রহের বিষয় ছিলো তার ছবি তোলার সাবজেক্ট নিয়ে। প্রথমত Homes at night বা Interiors এ তার যে ছবিগুলো তার পোর্টফোলিও’তে সেগুলি দেখতে খূবই সাদামাটা টাইপের। বেশীর ভাগ ক্ষেত্রেই আলাদা কোন লাইটিং ব্যবহার করা হয়নি। আশেপাশে কোন লোকজনও দেখা যায় না। অন্ধকারে দাড়িয়ে থাকা একাকী নিঃসঙ্গ কোন বাড়ী। ঘরের আভ্যন্তরিন ছবিগুলোও কিন্তু চোখ ঝলসানো সাজানো গোছানো না। অনেক সময়ই দেখা যাচ্ছে ঘরে কোন আসবাবপত্র নেই। আবার যেগুলো আছে সেগুলোও খূব সাধারণ। হয়তো খাটে কেউ ঘুমিয়েছিলো, বালিশটা এলোমেলো ভাবে রয়ে গেছে। তার পোর্ট্রেট ফটোগ্রাফিও সেরকম। ঘরোয়া পরিবেশে তোলা। 

তার পোর্টফোলিওতে ছবি দেখতে দেখতে মনে হচ্ছিলো এরকম ছবি তো আমিও তুলতে পারি। কিন্তু আসলেই কি পারবো ?

হ্যাপি ক্লিকিং !!! 

ছবি : By Cmichel67 – Own work, CC BY-SA 4.0, https://commons.wikimedia.org/w/index.php?curid=121585920

টড হিডোর ওয়েব সাইট
টড হিডো (উইকিপিডিয়া)

 

রিফাত জামিল ইউসুফজাই

জাতিতে বাঙ্গালী, তবে পূর্ব পূরুষরা নাকি এসেছিলো আফগানিস্তান থেকে - পাঠান ওসমান খানের নেতৃত্বে মোঘলদের বিরুদ্ধে লড়াই করতে। লড়াই এ ওসমান খান নিহত এবং তার বাহিনী পরাজিত ও পর্যূদস্ত হয়ে ছড়িয়ে পড়ে টাঙ্গাইলের ২২ গ্রামে। একসময় কালিহাতি উপজেলার চারাণ গ্রামে থিতু হয় তাদেরই কোন একজন। এখন আমি থাকি বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকায়। কোন এককালে শখ ছিলো শর্টওয়েভ রেডিও শোনা। প্রথম বিদেশ ভ্রমণে একমাত্র কাজ ছিলো একটি ডিজিটাল রেডিও কেনা। ১৯৯০ সালে ষ্টকহোমে কেনা সেই ফিলিপস ডি ২৯৩৫ রেডিও এখনও আছে। দিন-রাত রেডিও শুনে রিসেপশন রিপোর্ট পাঠানো আর QSL কার্ড সংগ্রহ করা - নেশার মতো ছিলো সেসময়। আস্তে আস্তে সেই শখ থিতু হয়ে আসে। জায়গা নেয় ছবি তোলা। এখনও শিখছি এবং তুলছি নানা রকম ছবি। কয়েক মাস ধরে শখ হয়েছে ক্র্যাফটিং এর। মূলত গয়না এবং নানা রকম কার্ড তৈরী, সাথে এক-আধটু স্ক্র্যাপবুকিং। সাথে মাঝে মধ্যে ব্লগ লেখা আর জাবর কাটা। এই নিয়েই চলছে জীবন বেশ।