ডাইজ এর জন্য পকেট তৈরী

প্রথমেই ইশরাত হক ইমু কে ধন্যবাদ জানাতেই হয় ডাইজ ষ্টোরেজ নিয়ে গত ররিবার ফেসবুকের স্ক্র্যাপবুক এন্ড কার্ডস বাংলাদেশ গ্রুপে পোষ্ট দেয়ার জন্য। জিপলক ব্যাগের আইডিয়া আসলেই ভাল ছিলো। কারন সাধারন পাতলা প্লাস্টিকের ব্যাগে ডাইজ রাখলে কিছুদিন পর ছিড়ে যায়। জিপলক ব্যাগের প্লাস্টিক সে তুলনায় যথেষ্টই মোটা। আর দামও রিজনেবল।

ওনার পোস্ট পড়ার পর নেটে একটু খোঁজ নিলাম আর কোন বিকল্প আছে কি না। ইউটউবে পাওয়া গেলো একজন অষ্ট্রেলিয়ান ভদ্রমহিলা লেমিনেটিং মেশিনে লেমিনেটিং পাউচ ব্যবহার করে ছোট ছোট পকেট তৈরী করে সেগুলোতে ডাইজ রাখছেন। লেমিনেটিং পাউচ হিট দিলে মোটামুটি শক্ত হয়ে যায়। ফলে ছিড়ে যাওয়ার ভয় নেই। আর স্বচ্ছ হওয়ায় দেখাও যায় ভিতরে কি রাখা হয়েছে। আমি ওনার আইডিয়াই সামান্য অদল-বদল করে লেমিনেটিং পাউচের ভিতর কাগজ আর স্বচ্ছ ওএইচপি শিট দিয়ে পকেট তৈরী করে ফেললাম। আপাতত ছোট এক সাইজেই বানালাম। ভবিষ্যতে বড় সাইজে বানানোর ইচ্ছে আছে।

যা যা লাগবে :
লেমিনেটিং পাউচ ১১০ বাই ১৬৫ মিমি / ২০০ মাইক্রণ (4R সাইজের ফটো লেমিনেট করার জন্য)
ওএইচপি (Overhead Projector) শিট এ৪ সাইজ
অফসেট পেপার এ৪ সাইজ

লেমিনেটিং মেশিন / পেপার ট্রিমার

মাপ : শুধূমাত্র এই সাইজের পকেট তৈরীর জন্য কাগজ + ওএইচপি শিট ৪ ইঞ্চি বাই ৫.৮ ইঞ্চি সাইজে কেটে নিতে হবে।

কিভাবে তৈরী করবেন : ভিডিও’তে পুরো প্রসেস দেয়া আছে।

লেমিনেটিং মেশিন কি নিজেরই থাকতে হবে ? আমার মনে হয় না। শুধূমাত্র ডাইজ পকেট তৈরীর জন্য ৩৫০০ টাকা মেশিন কেনার মানে হয় না। তবে ফয়েলিং করতে চাইলে এই মেশিন আপনার লাগবেই। আমি মূলতঃ সেজন্যেই এই মেশিন কিনেছিলাম। কাগজ এবং ওএইচপি শিট মাপমতো কেটে নিয়ে যে কোন ফটোকপি’র দোকানে নিয়ে লেমিনেটিং করে আনা যায়। বাসায় এসে কেবল মুখ কেটে নিলেই হবে।

আয়রন (ইস্ত্রি) দিয়ে কি করা যাবে ? আমি এখন পর্যন্ত শতভাগ শিওর না। তবে ইউটিউবে দেখলাম অনেকেই মিডিয়াম হিটে আয়রণ দিয়ে লেমিনেট করছেন।

আমি যে ভিডিও দেখে অনুপ্রানিত হয়েছি
স্ক্র্যাপবুকস এন্ড কার্ডস গ্রুপের ডাইজ ষ্টোরেজ নিয়ে পোষ্টের লিংক

ফেসবুক মন্তব্য

রিফাত জামিল ইউসুফজাই

জাতিতে বাঙ্গালী, তবে পূর্ব পূরুষরা নাকি এসেছিলো আফগানিস্তান থেকে - পাঠান ওসমান খানের নেতৃত্বে মোঘলদের বিরুদ্ধে লড়াই করতে। লড়াই এ ওসমান খান নিহত এবং তার বাহিনী পরাজিত ও পর্যূদস্ত হয়ে ছড়িয়ে পড়ে টাঙ্গাইলের ২২ গ্রামে। একসময় কালিহাতি উপজেলার চারাণ গ্রামে থিতু হয় তাদেরই কোন একজন। এখন আমি থাকি বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকায়। কোন এককালে শখ ছিলো শর্টওয়েভ রেডিও শোনা। প্রথম বিদেশ ভ্রমণে একমাত্র কাজ ছিলো একটি ডিজিটাল রেডিও কেনা। ১৯৯০ সালে ষ্টকহোমে কেনা সেই ফিলিপস ডি ২৯৩৫ রেডিও এখনও আছে। দিন-রাত রেডিও শুনে রিসেপশন রিপোর্ট পাঠানো আর QSL কার্ড সংগ্রহ করা - নেশার মতো ছিলো সেসময়। আস্তে আস্তে সেই শখ থিতু হয়ে আসে। জায়গা নেয় ছবি তোলা। এখনও শিখছি এবং তুলছি নানা রকম ছবি। কয়েক মাস ধরে শখ হয়েছে ক্র্যাফটিং এর। মূলত গয়না এবং নানা রকম কার্ড তৈরী, সাথে এক-আধটু স্ক্র্যাপবুকিং। সাথে মাঝে মধ্যে ব্লগ লেখা আর জাবর কাটা। এই নিয়েই চলছে জীবন বেশ।

Leave a Reply

Your email address will not be published.