পছন্দের ফ্লিকার (৪)

আপাতত ফ্লিকারেই ছবি / ফটো আপলোড করছি। যদিও আগে আরো কিছু সাইটে করতাম। পরে দেখা গেলো এতো এতো সাইট মেইনটেইন করা আসলে ঝামেলার ব্যাপার। এক ফেসবুকই দিনের অনেকটা সময় নষ্ট করে ফেলে। এ যেন ‘জেনে শুনে বিষ করেছি পান’ টাইপ অবস্থা।

ইদানিং ফ্লিকারে ছবি আপলোড করার পাশাপাশি বিভিন্ন জনের ফটোষ্ট্রিম অনুসরণ করছি। সেই সাথে নিয়মিত এক্সপ্লোর এ ঢু মারি। প্রচুর ছবি দেখা হয়। এক্সপ্লোর এ অবশ্য ইদানিং পাখির ছবি প্রচুর। নিজে প্রথমত চোখের সমস্যার কারণে এবং দ্বিতীয়ত বার্ড ফটোগ্রাফির উপযোগী লেন্সের অভাবে খূব একটা বার্ড ফটোগ্রাফি করি না। আমার এই চোখ দিয়ে গাছের ডালে বা অন্য কোথাও বসে থাকা পাখি চট করে ষ্পট করা বেশ কঠিন। যে কয়টি পাখির ছবি তুলেছি সেগুলো নিতান্তই খূব কাছে বসা ছিলো বলে তুলতে পেরেছিলাম।

আজকের ফ্লিকার একাউন্ট Vladimir Machek এর। তার বিশেষত্ব এষ্ট্রো ফটোগ্রাফি। আমার নিজের এষ্ট্রোফটোগ্রাফি করার মতো ইকুইপমেন্ট, সময় এবং ধৈর্য্য নাই। তবে এসব ছবি দেখতে দারুণ লাগে। তার ফটোষ্ট্রিমে অবশ্য খূব বেশী ছবি নেই। তার মধ্যে এই ছবিটি আমার বেশ পছন্দের

M 31, Andromeda taken by standard camera

তিনি অবশ্য বলছেন এই ছবিটি তিনি সাধারণ ক্যামেরা এবং লেন্স দিয়েই তুলেছেন। আপনিও চেষ্টা করে দেখতে পারেন।

আজকের দ্বিতীয় ফটোষ্ট্রিম হলো davie ch এর। তিনি বার্ড ফটোগ্রাফার। তার ষ্ট্রিমের ছবিগুলো দেখলে মনে হয় পাখি গুলো এসে রীতিমতো পোজ দিয়েছে তার সামনে। তার এই ছবিটি আমার কাছে বেশ পছন্দ হয়েছে।

DSC_3279-Edit

সব শেষে আপনাদের কে জানাবো একটি ফেসবুক গ্রুপের কথা, যেখানে চমৎকার সব ছবি দেখতে পারেন। Art of Still Life নামের এই গ্রুপটিতে নানান জিনিসপত্র সাজিয়ে গুছিয়ে তারপর ছবি তুলে উপস্থাপন করা হয়। লাইটের অসাধারণ ব্যবহারের কারণেই ছবিগুলি অসাধারণ হয়ে উঠে। আজই পোষ্ট করা এই ছবিটি আমার খূব ভাল লেগেছে।

আজ এ পর্যন্তই। আপনারাও কমেন্টে জানাতে পারেন আপনাদের পছন্দের ফ্লিকার একাউন্ট বা ফেসবুক গ্রুপের কথা।

ভাল থাকবেন।

 

 

রিফাত জামিল ইউসুফজাই

জাতিতে বাঙ্গালী, তবে পূর্ব পূরুষরা নাকি এসেছিলো আফগানিস্তান থেকে - পাঠান ওসমান খানের নেতৃত্বে মোঘলদের বিরুদ্ধে লড়াই করতে। লড়াই এ ওসমান খান নিহত এবং তার বাহিনী পরাজিত ও পর্যূদস্ত হয়ে ছড়িয়ে পড়ে টাঙ্গাইলের ২২ গ্রামে। একসময় কালিহাতি উপজেলার চারাণ গ্রামে থিতু হয় তাদেরই কোন একজন। এখন আমি থাকি বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকায়। কোন এককালে শখ ছিলো শর্টওয়েভ রেডিও শোনা। প্রথম বিদেশ ভ্রমণে একমাত্র কাজ ছিলো একটি ডিজিটাল রেডিও কেনা। ১৯৯০ সালে ষ্টকহোমে কেনা সেই ফিলিপস ডি ২৯৩৫ রেডিও এখনও আছে। দিন-রাত রেডিও শুনে রিসেপশন রিপোর্ট পাঠানো আর QSL কার্ড সংগ্রহ করা - নেশার মতো ছিলো সেসময়। আস্তে আস্তে সেই শখ থিতু হয়ে আসে। জায়গা নেয় ছবি তোলা। এখনও শিখছি এবং তুলছি নানা রকম ছবি। কয়েক মাস ধরে শখ হয়েছে ক্র্যাফটিং এর। মূলত গয়না এবং নানা রকম কার্ড তৈরী, সাথে এক-আধটু স্ক্র্যাপবুকিং। সাথে মাঝে মধ্যে ব্লগ লেখা আর জাবর কাটা। এই নিয়েই চলছে জীবন বেশ।