প্যাটার্ণ পেপার ০০১

পেপার ক্র্যাফটিং, বিশেষ করে কার্ড বা স্ক্র্যাপবুক তৈরীতে প্যাটার্ন পেপার অপরিহার্য অনুসঙ্গ। দেশে এই জিনিস তৈরী হয় না, বাইরে থেকে যা আসে বা আনতে গেলেও অনেক খরচ হয়ে যায়। তাই আমরা মূলতঃ নির্ভর করি ফ্রি ডিজিটাল প্যাটার্ন পেপারের উপর। নিজের প্রিন্টার অথবা কোন দোকান থেকে প্রিন্ট করিয়ে নিয়ে কাজ চালাতে হয়। ইন্টারনেটে একটু খোঁজাখূঁজি করলেই প্রচুর সুন্দর সুন্দর প্যাটার্ন পেপার পাওয়া যায় সম্পূর্ণ বিনামূল্যেই। হঠাৎ করেই চিন্তা করলাম নিজে কিছু তৈরী করা যায় কিনা। আমি শিল্পী নই, তাই আমার পক্ষে সুন্দর কিছু আঁকা সম্ভব না। তবে জ্যামিতিক ফিগার নিয়ে কিছু করা যেতেই পারে। আজ প্রথম প্রয়াস হিসেবে শেভরন প্যাটার্ন দিয়ে তৈরী করে ফেললাম ৬ রং এর ৬টি এবং এই ৬টি মিলিয়ে আরো একটি, মোট ৭টি প্যাটার্ণ পেপারের একটি প্যাক। প্রতিটি প্যাটার্ণ পেপার ১০ ইঞ্চি X ১০ ইঞ্চি সাইজের।

কিভাবে প্রিন্ট করবেন
প্যাটার্ণ পেপারগুলি সবই ১০ ইঞ্চি X ১০ ইঞ্চি সাইজের। আপনি যদি এ৪ সাইজের পেপারে Aspect Ratio ঠিক রেখে প্রিন্ট করেন তবে ৮ ইঞ্চি X ৮ ইঞ্চি সাইজের প্রিন্ট পাবেন। ষ্ট্রেচ করে প্রির্ট করলে ডিজাইন দেখতে খারাপ দেখাবে। আমি সাধারণত IrfanView সফটওয়্যার দিয়ে প্রিন্ট তরি। ওপেন করার পর সোজা প্রিন্ট এ ক্লিক করুন। যে ডায়লগ বক্স আসবে সেখান থেকে Print Size এই অপশনে দেখেন Best Fit to Page (Aspect Ratio) আছে। এটা সিলেক্ট করে ফেলুন। আপনার প্রিন্টার অনুযায়ী অন্যান্য সেটিংস ঠিক করুন। আমি সাধারণ ফটো বা প্যাটার্ণ পেপার প্রিন্ট করার সময় বেষ্ট কোয়ালিটি সেট করি। এবার প্রিন্ট করে ফেলুন।

রং এর ব্যাপারে কোন সাজেশন থাকলে দিতে পারেন। এই ৬টি রং এর বাইরে আরো ৬টি রং সাজেষ্ট করতে পারেন। ভবিষ্যতে সেসব রং দিয়ে নতুন প্যাক আশা করি দিতে পারবো।

ধন্যবাদ। হ্যাপি ক্র্যাফটিং।

ডাউনলোড লিংক

ফেসবুক মন্তব্য

রিফাত জামিল ইউসুফজাই

জাতিতে বাঙ্গালী, তবে পূর্ব পূরুষরা নাকি এসেছিলো আফগানিস্তান থেকে - পাঠান ওসমান খানের নেতৃত্বে মোঘলদের বিরুদ্ধে লড়াই করতে। লড়াই এ ওসমান খান নিহত এবং তার বাহিনী পরাজিত ও পর্যূদস্ত হয়ে ছড়িয়ে পড়ে টাঙ্গাইলের ২২ গ্রামে। একসময় কালিহাতি উপজেলার চারাণ গ্রামে থিতু হয় তাদেরই কোন একজন। এখন আমি থাকি বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকায়। কোন এককালে শখ ছিলো শর্টওয়েভ রেডিও শোনা। প্রথম বিদেশ ভ্রমণে একমাত্র কাজ ছিলো একটি ডিজিটাল রেডিও কেনা। ১৯৯০ সালে ষ্টকহোমে কেনা সেই ফিলিপস ডি ২৯৩৫ রেডিও এখনও আছে। দিন-রাত রেডিও শুনে রিসেপশন রিপোর্ট পাঠানো আর QSL কার্ড সংগ্রহ করা - নেশার মতো ছিলো সেসময়। আস্তে আস্তে সেই শখ থিতু হয়ে আসে। জায়গা নেয় ছবি তোলা। এখনও শিখছি এবং তুলছি নানা রকম ছবি। কয়েক মাস ধরে শখ হয়েছে ক্র্যাফটিং এর। মূলত গয়না এবং নানা রকম কার্ড তৈরী, সাথে এক-আধটু স্ক্র্যাপবুকিং। সাথে মাঝে মধ্যে ব্লগ লেখা আর জাবর কাটা। এই নিয়েই চলছে জীবন বেশ।

Leave a Reply

Your email address will not be published.