ভিডিও ক্যাপচার কার্ড

এই জিনিসটা খূবই দরকারী বিশেষ করে যারা বিভিন্ন গেম ষ্ট্রিম করে থাকেন। তবে নেট ঘাটলে যে ভিডিও ক্যাপচার কার্ড (এলগাটো গেম ক্যাপচার) এর নাম সবার আগে আসে সেটির দাম ১৫০ ডলারের মতো। তবে এর চাইতে দামী ক্যাপচার কার্ডও আছে প্রফেশনাল কাজের জন্য। তবে ইদানিং চাইনিজ কিছু ক্যাপচার কার্ড পাওয়া যায় যেগুলোর দাম হাতের নাগালের মধ্যেই। ইউটিউবে বেশ কিছু রিভিউ দেখার পর এরকম একটি ক্যাপচার কার্ড কেনার চিন্তা করলাম আমার ডিএসএলআর ক্যামেরার জন্য। OBS Studio তে সাধারণত ওয়েব ক্যাম ব্যবহার করা যায় সরাসরি। কিন্তু ডিএসএলআর ক্যামেরা ব্যবহার করতে চাইলে সাধারণত কোন সফটওয়্যার ব্যবহার করে ক্যামেরা’কে ওয়েব ক্যাম হিসাবে ব্যবহার করতে হয়। আর সরাসরি ব্যবহার করতে চাইলে আপনার দরকার হবে ভিডিও ক্যাপচার কার্ড। গেম কনসোল, ডিভিডি, ডিভিডি, ব্লু রে ইত্যাদি ব্যবহার করে পিসিতে ভিডিও রেকর্ড করতে চাইলেও এরকম একটি ভিডিও ক্যাপচার কার্ড লাগবে।
আমি এরকম একটি কমদামী চাইনিজ ভিডিও ক্যাপচার কার্ড কিনেছি একটি ই-কমার্স সাইট থেকে। সব মিলিয়ে দাম পরেছে প্রায় ৭১২ টাকা (কিছু ছাড় পেয়েছিলাম)। জিনিসটা নিয়ে এখনও এক্সপেরিমেন্ট চলছে। ডিএসএলআর ক্যামেরা এবং এন্ড্রয়েড টিভি বক্স থেকেও রেকর্ড করা যাচ্ছে। তবে টিভি রেকর্ডিং কোয়ালিটি খূব ভাল না। বেশী রেজ্যুলিউশন এবং এফপিএস এ রেকর্ড করতে চাইলে ফ্রেম কেটে কেটে যায়। নেটিভ রেজ্যুলিউশন / এফপিএস এ মান মোটামুটি। আমি রেকর্ড করেছি VSDC দিয়ে। এখানে বলে রাখা ভাল এই প্রোডাক্টের প্যাকেটে বা বর্ণনায় ৪কে ভিডিও’র কথা থাকলেও এটি বড়জোর ৭২০ পি ৩০ এফপিএস ভিডিও আউটপুট দেয়।
তবে ওবিএস ষ্টুডিও দিয়ে নাইকন ডিএসএলআর ক্যামেরা থেকে রেকর্ড করার ভিন্ন একটি পদ্ধতি সাম্প্রতিক কালে পেয়েছি ইউটিউব থেকে। যেখানে ভিডিও ক্যাপচার কার্ড এর প্রয়োজন হয় না। সেটি নিয়ে অন্য কোনদিন লিখবো।
ছোট একটা ভিডিও ক্লিপ আপলোড করলাম। এখানে Tanix Tx6 টিভি বক্স, জেনেরিক ভিডিও ক্যাপচার কার্ড, টফি টিভি এপস, VSDC Editor ব্যবহার করা হয়েছে।

রিফাত জামিল ইউসুফজাই

জাতিতে বাঙ্গালী, তবে পূর্ব পূরুষরা নাকি এসেছিলো আফগানিস্তান থেকে - পাঠান ওসমান খানের নেতৃত্বে মোঘলদের বিরুদ্ধে লড়াই করতে। লড়াই এ ওসমান খান নিহত এবং তার বাহিনী পরাজিত ও পর্যূদস্ত হয়ে ছড়িয়ে পড়ে টাঙ্গাইলের ২২ গ্রামে। একসময় কালিহাতি উপজেলার চারাণ গ্রামে থিতু হয় তাদেরই কোন একজন। এখন আমি থাকি বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকায়। কোন এককালে শখ ছিলো শর্টওয়েভ রেডিও শোনা। প্রথম বিদেশ ভ্রমণে একমাত্র কাজ ছিলো একটি ডিজিটাল রেডিও কেনা। ১৯৯০ সালে ষ্টকহোমে কেনা সেই ফিলিপস ডি ২৯৩৫ রেডিও এখনও আছে। দিন-রাত রেডিও শুনে রিসেপশন রিপোর্ট পাঠানো আর QSL কার্ড সংগ্রহ করা - নেশার মতো ছিলো সেসময়। আস্তে আস্তে সেই শখ থিতু হয়ে আসে। জায়গা নেয় ছবি তোলা। এখনও শিখছি এবং তুলছি নানা রকম ছবি। কয়েক মাস ধরে শখ হয়েছে ক্র্যাফটিং এর। মূলত গয়না এবং নানা রকম কার্ড তৈরী, সাথে এক-আধটু স্ক্র্যাপবুকিং। সাথে মাঝে মধ্যে ব্লগ লেখা আর জাবর কাটা। এই নিয়েই চলছে জীবন বেশ।