আগে ঔষধ তেমন খেতাম না। জ্বর হলে প্যারাসিটামল বা নাপা, সর্দি হলে হিষ্টাসিন, পেট খারাপ হলে ফ্লাজিল এইসব ই। কিন্তু গত ১+ বছর ধরে নিয়মিত ডাক্তারের কাছে যাচ্ছি, নিয়মিত টেষ্ট করছি আর ঔষধ খাচ্ছি। প্রি-ডায়বেটিক হলেও তেমন একটা চিন্তা করি নাই এতোদিন। কোলেস্টেরল, বিশেষ করে টিজি অস্বাভাবিক বেশী ছিলো। ডাক্তার সাহেব দুটো ঔষধ দিয়েছিলেন, তার একটা ছিলো এই কোলেস্টেরলের জন্য।
গত কয়েক মাস ধরে শরীরে একধরণের অস্বস্তি বোধ হচ্ছিলো। মাঝে মধ্যেই মনে হয় ব্লাড সুগার বেড়ে যাচ্ছিলো। বিশেষ করে খাওয়ার পর। মুখের ভিতর কেমন যেন লাগতো, সাথে প্রচন্ড পানি পিপাসা পেতো। অথচ টেস্টে তেমন কিছু ধরা পরে নাই। সকালের দিকে পায়ের পাতা জ্বলতো, সাথে কেমন যেন ঝিনঝিনে অনুভূতি। ডাক্তার সাহেব শুনে বললেন আবার মনে হয় ইউরিক এসিড বেড়েছে।
এবার ঔষধ ৪টি। ২টি সকালে, ২টি রাতে। ২ সপ্তাহ পর যদি উন্নতি হয় তো একমাস পর টেস্ট করে দেখাতে হবে। সাথে খাবার নিয়ন্ত্রণ আর হাটাহাটি তো আছেই। হিসাব করে দেখলাম এই ৪ ট্যাবলেটেই প্রতি মাসে ১৩৫০ টাকা খরচ। এরপর ডাক্তারের ফি আর টেস্টের খরচ তো আছেই।
ভাবতেছি, ৬০ বছর পার হওয়ার পর কি হবে।

ফেসবুক মন্তব্য