পাওয়ার ব্যাংক সমাচার

VDENMENV DP43 PD 22.5W QC3.0 10000mAh Power Bank

এই পাওয়ার ব্যাংকটি কিনেছি কয়েকদিন আগে। মূলত আমার ডিজেআই অসমো একশন ৪ এর জন্য। আমি ডিজেআই অসমো একশন ৪ এর ষ্ট্যান্ডার্ড এডিশন কিনেছিলাম। এটিতে একটি মাত্র ব্যাটারী থাকে। আমার অবশ্য একটি ব্যাটারীতেই কাজ চলে। বিকালে হাটতে বের হয়ে টুকটাক যে সব ভিডিও করি তাতে খূব বেশী হলে ২৫-৫০ পারসেন্ট ব্যাটারী খরচ হয়। কোন কোন সময় ২দিন ব্যবহারের পর রিচার্জ করি। তবে গত ঈদের পর ঘাটাইল বেড়াতে গিয়ে একদিন মধূপুর, জলচ্ছত্র, ধনবাড়ী আর জামালপুর গিয়েছিলাম। সেদিন জামালপুরে তেমন কোন ভিডিও করতে পারি নাই, কারণ ব্যাটারীতে চার্জ ছিলো সামান্য।

তখনই মাথায় আসে এক্সট্রা ব্যাটারী বা বিকল্প কিছু নিতে হবে। প্রথমে চোখে পড়ে উলানজি বিজি ৩ পাওয়ার ব্যাংক গ্রীপ। এটি সেলফি ষ্টিকের মতোই তবে ভিতরে ১০ হাজার এমএএইচ পাওয়ার ব্যাংক বিল্ট ইন আছে। এটির দাম ছিলো সাড়ে তিন হাজার টাকা। পরে চিন্তা করলাম একটা পিডি পাওয়ার ব্যাংক কিনলে এর চাইতে কমে পাওয়া যেতে পারে, সেই সাথে একশন ক্যাম, নাইকন জেডএফ ক্যামেরা এবং মোবাইল ফোন সবই রিচার্জ করা যেতে পারে। সেই চিন্তা থেকেই এই পাওয়ার ব্যাংকটি কেনা।

হাতে আসার পর দেখলাম এতে ৭৩ পারসেন্ট চার্জ আছে। চার্জে দেয়ার পর প্রায় সোয়া দুই ঘন্টা পর এর চার্জ ১০০ পারসেন্ট হলো।

গতকাল একশন ক্যামেরায় চার্জ দেখলাম ১৫ পারসেন্ট আছে। এই পাওয়ার ব্যাংক দিয়ে রিচার্জ করতে দেয়ার পর মোটামুটি ৪০ মিনিটে চার্জ হান্ড্রেড পারসেন্ট হয়ে গেলো। মানে আমি এর পারফরমেন্সে সন্তুষ্ট।

এটি আমি কিনেছি দারাজ থেকে। দামও বেশ সহনীয় ১১০০ টাকার মতো সব মিলিয়ে।

 

 

 

 

ফেসবুক মন্তব্য

রিফাত জামিল ইউসুফজাই

জাতিতে বাঙ্গালী, তবে পূর্ব পূরুষরা নাকি এসেছিলো আফগানিস্তান থেকে - পাঠান ওসমান খানের নেতৃত্বে মোঘলদের বিরুদ্ধে লড়াই করতে। লড়াই এ ওসমান খান নিহত এবং তার বাহিনী পরাজিত ও পর্যূদস্ত হয়ে ছড়িয়ে পড়ে টাঙ্গাইলের ২২ গ্রামে। একসময় কালিহাতি উপজেলার চারাণ গ্রামে থিতু হয় তাদেরই কোন একজন। এখন আমি থাকি বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকায়। কোন এককালে শখ ছিলো শর্টওয়েভ রেডিও শোনা। প্রথম বিদেশ ভ্রমণে একমাত্র কাজ ছিলো একটি ডিজিটাল রেডিও কেনা। ১৯৯০ সালে ষ্টকহোমে কেনা সেই ফিলিপস ডি ২৯৩৫ রেডিও এখনও আছে। দিন-রাত রেডিও শুনে রিসেপশন রিপোর্ট পাঠানো আর QSL কার্ড সংগ্রহ করা - নেশার মতো ছিলো সেসময়। আস্তে আস্তে সেই শখ থিতু হয়ে আসে। জায়গা নেয় ছবি তোলা। এখনও শিখছি এবং তুলছি নানা রকম ছবি। কয়েক মাস ধরে শখ হয়েছে ক্র্যাফটিং এর। মূলত গয়না এবং নানা রকম কার্ড তৈরী, সাথে এক-আধটু স্ক্র্যাপবুকিং। সাথে মাঝে মধ্যে ব্লগ লেখা আর জাবর কাটা। এই নিয়েই চলছে জীবন বেশ।