পোর্চ পাইরেটস

পাইরেটসদের কথা তো শুনেছেন, মানে জলদস্যু আর কি। কিন্তু পোর্চ পাইরেটসদের কথা কি শুনেছেন কখনও ? আজ আমরা জানবো এই পোর্চ পাইরেটস সম্পর্কে।

সেদিন হঠাৎ করেই ইউটিউবে একটা ভিডিও আসলো। নাম দেখে তেমন তেমন কিছুই বুঝি নাই। তাই ভিডিও দেখা শুরু করলাম।

আমেরিকায় অনলাইন কেনাকাটা এখন ব্যাপক জনপ্রিয়। লোকজন হরদম অর্ডার করছে। ইউপিএস এর মতো কোম্পানি সেগুলো পৌছে দিচ্ছে গ্রাহকের দোরগোড়ায়। তবে আমাদের দেশের সাথে এখানে একটু পার্থক্য আছে। তারা পার্সেল গ্রাহকের দরজার কাছে রেখে একটা ছবি তুলে চলে যায়।

আর এই সূযোগটাই নিচ্ছে কিছু মানুষ। তারা ঘুরে ঘুরে দেখে কোন বাড়ীর সামনে এরকম পণ্য রাখা আছে। সূযোগ বুঝে তারা সেই পার্সেল নিয়ে চম্পট দেয়। মানে সোজা বাংলায় চুরি করে। আর এদেরকেই বলা হচ্ছে পোর্চ পাইরেটস।

ভিডিও’তে দেখা গেলো কিশোর থেকে শুরু করে মহিলা, তরুণ অনেকেই এই কাজে লিপ্ত। চুরি করার সময় ডোর ক্যামেরায় দেখে ভিতর থেকে কেউ হয়তো বলে তুমি তো কট, তখন পার্সেল রেখে চম্পট দেয়। অনেক সময় আবার নানারকম কথা বলে। এক মহিলা এরকম এক বাসা থেকে পার্সেল চুরি করে নিয়ে যাওয়ার সময় হাতে-নাতে ধরা পড়ে। সে বলে এটা তার মায়ের বাসা। তখন বাড়ীর মালিক বলে এটা তো আমার বাসা। তখন সে পার্সেল ফেলে দ্রুত চলে যায়।

মাঝে মধ্যে বাড়ীর মালিকরাও মজা করে। পুরাতন কার্টুন ময়লা দিয়ে ভর্তি করে দরজার সামনে রেখে দেয়। চোর বাবাজি খুশী মনেই সেটা নিয়ে চলে যায়।

এটা নাকি এখন বেশ হচ্ছে। পুলিশও নিয়মিত টহল দিচ্ছে সাদা পোষাকে, মাঝে মধ্যেই ধরছে এসব পোর্চ পাইরেটসদের।

ভিডিও পাবেন এই লিংকে

ফেসবুক মন্তব্য

রিফাত জামিল ইউসুফজাই

জাতিতে বাঙ্গালী, তবে পূর্ব পূরুষরা নাকি এসেছিলো আফগানিস্তান থেকে - পাঠান ওসমান খানের নেতৃত্বে মোঘলদের বিরুদ্ধে লড়াই করতে। লড়াই এ ওসমান খান নিহত এবং তার বাহিনী পরাজিত ও পর্যূদস্ত হয়ে ছড়িয়ে পড়ে টাঙ্গাইলের ২২ গ্রামে। একসময় কালিহাতি উপজেলার চারাণ গ্রামে থিতু হয় তাদেরই কোন একজন। এখন আমি থাকি বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকায়। কোন এককালে শখ ছিলো শর্টওয়েভ রেডিও শোনা। প্রথম বিদেশ ভ্রমণে একমাত্র কাজ ছিলো একটি ডিজিটাল রেডিও কেনা। ১৯৯০ সালে ষ্টকহোমে কেনা সেই ফিলিপস ডি ২৯৩৫ রেডিও এখনও আছে। দিন-রাত রেডিও শুনে রিসেপশন রিপোর্ট পাঠানো আর QSL কার্ড সংগ্রহ করা - নেশার মতো ছিলো সেসময়। আস্তে আস্তে সেই শখ থিতু হয়ে আসে। জায়গা নেয় ছবি তোলা। এখনও শিখছি এবং তুলছি নানা রকম ছবি। কয়েক মাস ধরে শখ হয়েছে ক্র্যাফটিং এর। মূলত গয়না এবং নানা রকম কার্ড তৈরী, সাথে এক-আধটু স্ক্র্যাপবুকিং। সাথে মাঝে মধ্যে ব্লগ লেখা আর জাবর কাটা। এই নিয়েই চলছে জীবন বেশ।