বালিপাড়া মাদ্রাসা

যাদের অতিথি হয়ে বালিপাড়া গিয়েছিলাম তারা এলাকায় এক বিশাল মাদ্রাসা কমপ্লেক্স প্রতিষ্ঠা করেছেন। নাম দারুল উলুম বালিপাড়া কওমি মাদ্রাসা। কমপ্লেক্সের ভিতর মাদ্রাসা (ছেলে ও মেয়েদের জন্য আলাদা), মসজিদ, বিশাল রান্নাঘর + ভাড়ার ঘর। সেই সাথে আছে ছোট আকারের সবজি বাগান, পোলট্রি, ডেয়ারি এবং পুকুর। ছাত্রদের পাশাপাশি এলাকার দুস্থ পরিবারের শিশু, মহিলা, বৃদ্ধ মানুষরা (২৫-৩০ জন) বিনামূল্যে খাবার খেতে পারে। কমপ্লেক্সে একটি হোমিওপ্যাথি দাওয়াখানা আছে, যেখানে ৫ টাকার বিনিময়ে চিকিৎসা পরামর্শ এবং ঔষধ দেয়া হয়। একপাশে একটি গণ কবরস্থানও আছে।
 
মাদ্রাসায় পড়া ফ্রি না, কিছু খরচ অভিভাবকদের বহন করতে হয়। ছাত্ররা অধিকাংশ ই আবাসিক, তবে এলাকার কিছু ছেলে-মেয়ে প্রতিদিন বাসা থেকেই আসে।
 
দারুল উলুম বালিপাড়া কওমি মাদ্রাসা
দারুল উলুম বালিপাড়া কওমি মাদ্রাসা
দারুল উলুম বালিপাড়া কওমি মাদ্রাসার ছাত্র
দারুল উলুম বালিপাড়া কওমি মাদ্রাসার ছাত্র

ফেসবুক মন্তব্য

রিফাত জামিল ইউসুফজাই

জাতিতে বাঙ্গালী, তবে পূর্ব পূরুষরা নাকি এসেছিলো আফগানিস্তান থেকে - পাঠান ওসমান খানের নেতৃত্বে মোঘলদের বিরুদ্ধে লড়াই করতে। লড়াই এ ওসমান খান নিহত এবং তার বাহিনী পরাজিত ও পর্যূদস্ত হয়ে ছড়িয়ে পড়ে টাঙ্গাইলের ২২ গ্রামে। একসময় কালিহাতি উপজেলার চারাণ গ্রামে থিতু হয় তাদেরই কোন একজন। এখন আমি থাকি বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকায়। কোন এককালে শখ ছিলো শর্টওয়েভ রেডিও শোনা। প্রথম বিদেশ ভ্রমণে একমাত্র কাজ ছিলো একটি ডিজিটাল রেডিও কেনা। ১৯৯০ সালে ষ্টকহোমে কেনা সেই ফিলিপস ডি ২৯৩৫ রেডিও এখনও আছে। দিন-রাত রেডিও শুনে রিসেপশন রিপোর্ট পাঠানো আর QSL কার্ড সংগ্রহ করা - নেশার মতো ছিলো সেসময়। আস্তে আস্তে সেই শখ থিতু হয়ে আসে। জায়গা নেয় ছবি তোলা। এখনও শিখছি এবং তুলছি নানা রকম ছবি। কয়েক মাস ধরে শখ হয়েছে ক্র্যাফটিং এর। মূলত গয়না এবং নানা রকম কার্ড তৈরী, সাথে এক-আধটু স্ক্র্যাপবুকিং। সাথে মাঝে মধ্যে ব্লগ লেখা আর জাবর কাটা। এই নিয়েই চলছে জীবন বেশ।