বিমান দর্শন

বিমান আর গাড়ী দেখতে আমার খূব ভাল লাগে। কোন কারণে মন খারাপ থাকলে রাস্তার পাশে দাড়িয়ে চলন্ত গাড়ী দেখা আমার বহু পুরাতন অভ্যাস। গাড়ী দেখতে দেখতে কখন জানি মন খারাপের কারণটাই ভুলে যাই। উত্তরাতে থাকার সুবাদে প্লেন দেখতে পারি খূব কাছ থেকে। সপ্তাহে ৪/৫ দিন হাটতে বের হই। ২/৩ সপ্তাহ পর পর আমি চলে যাই দলিপাড়া / বাউনিয়া। সেখানে বিমানের অবতরণ দেখি এক-দেড় ঘন্টা। আমার হাটাও হয় আবার বিমান দেখাও হয়। মানে রথ দেখা আর কলা বেচা আর কি।

গতকালও গিয়েছিলাম। আকাশ অনেক সুন্দর ছিলো। চমৎকার রোদ, সাথে বাহারী মেঘ। অসাধারণ লাগছিলো দেখতে। কিছুক্ষণ পর পর বিমান আসছিলো। আমি এক ফাঁকে ২০ টাকার ঝালমুড়িও খেলাম। এখানে আসলে ঝালমুড়ি, ফুচকা, চটপটি খাওয়া হয়। অবশ্য ঝালমুড়িই বেশী খাই। আবার ক্যাফে রানওয়ে’তে ঢুকলে ভিন্ন কিছু। তবে বিকাল বেলায় সেখানে বেশীক্ষণ বসা যায় না। প্রচুর লোকজন আসে। বাইরের একটা টেবিল দখল করে রাখলে তাদের সমস্যা। তবে সকালের দিকে গেলে লোকজন তেমন থাকে না। শান্তি মতো বিমান দেখা যায়। ফাঁকে ফাঁকে টুকটাক খাওয়া দাওয়া।

আরো কিছুক্ষণ থাকা যেতো হয়তো। কিন্তু আকাশে কালো মেঘ দেখে মনে হচ্ছিলো বৃষ্টি আসতে পারে। তাই ৪/৫টা বিমান দেখে হাটতে হাটতে বাসায় ফিরে আসছি।

 

ফেসবুক মন্তব্য

রিফাত জামিল ইউসুফজাই

জাতিতে বাঙ্গালী, তবে পূর্ব পূরুষরা নাকি এসেছিলো আফগানিস্তান থেকে - পাঠান ওসমান খানের নেতৃত্বে মোঘলদের বিরুদ্ধে লড়াই করতে। লড়াই এ ওসমান খান নিহত এবং তার বাহিনী পরাজিত ও পর্যূদস্ত হয়ে ছড়িয়ে পড়ে টাঙ্গাইলের ২২ গ্রামে। একসময় কালিহাতি উপজেলার চারাণ গ্রামে থিতু হয় তাদেরই কোন একজন। এখন আমি থাকি বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকায়। কোন এককালে শখ ছিলো শর্টওয়েভ রেডিও শোনা। প্রথম বিদেশ ভ্রমণে একমাত্র কাজ ছিলো একটি ডিজিটাল রেডিও কেনা। ১৯৯০ সালে ষ্টকহোমে কেনা সেই ফিলিপস ডি ২৯৩৫ রেডিও এখনও আছে। দিন-রাত রেডিও শুনে রিসেপশন রিপোর্ট পাঠানো আর QSL কার্ড সংগ্রহ করা - নেশার মতো ছিলো সেসময়। আস্তে আস্তে সেই শখ থিতু হয়ে আসে। জায়গা নেয় ছবি তোলা। এখনও শিখছি এবং তুলছি নানা রকম ছবি। কয়েক মাস ধরে শখ হয়েছে ক্র্যাফটিং এর। মূলত গয়না এবং নানা রকম কার্ড তৈরী, সাথে এক-আধটু স্ক্র্যাপবুকিং। সাথে মাঝে মধ্যে ব্লগ লেখা আর জাবর কাটা। এই নিয়েই চলছে জীবন বেশ।