ভাবনা

যত দিন যাচ্ছে, মনে হয় অলস হয়ে যাচ্ছি। কয়েক মাস ধরে তো ঘুম থেকে উঠতে দেরী হতো। সেটার সমাধান পুরোপুরি না হলেও কিছুটা হয়েছে। এখনও যথারীতি ৭টার আগে ঘুম ভাঙ্গে। আমি কিছুক্ষণ এপাশ-ওপাশ করে ৮টার বাজার আগেই বিছানা ছাড়ি।
 
মোবাইল থেকে ফেসবুক / মেসেঞ্জার আনইন্সটল করার পর এখন খূবই কম সময় দেই মোবাইলে। পিসিতে বসলে পুরাতন ছবি নিয়ে বসি। পুরাতন ছবি গুলো আবার নতুন করে প্রসেস করছি। বেছে বেছে কিছু ছবি উইকিমিডিয়া কমন্সে আপলোড করছি। এপর্যন্ত ২০০ ছবি আপলোড করেছি।
 
এরপর কখনও বই পড়ছি, নয়তো ট্যাবে ইউটিউব ভিডিও দেখছি। এর বাইরে নতুন করে প্রোডাক্টিভ কি করা যায়, মানে আয়-রোজগার কিছু করা যায়, তা নিয়ে ভাবছি আর ভাবছি। ভাবনা আর শেষ হচ্ছেই না।

ফেসবুক মন্তব্য

রিফাত জামিল ইউসুফজাই

জাতিতে বাঙ্গালী, তবে পূর্ব পূরুষরা নাকি এসেছিলো আফগানিস্তান থেকে - পাঠান ওসমান খানের নেতৃত্বে মোঘলদের বিরুদ্ধে লড়াই করতে। লড়াই এ ওসমান খান নিহত এবং তার বাহিনী পরাজিত ও পর্যূদস্ত হয়ে ছড়িয়ে পড়ে টাঙ্গাইলের ২২ গ্রামে। একসময় কালিহাতি উপজেলার চারাণ গ্রামে থিতু হয় তাদেরই কোন একজন। এখন আমি থাকি বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকায়। কোন এককালে শখ ছিলো শর্টওয়েভ রেডিও শোনা। প্রথম বিদেশ ভ্রমণে একমাত্র কাজ ছিলো একটি ডিজিটাল রেডিও কেনা। ১৯৯০ সালে ষ্টকহোমে কেনা সেই ফিলিপস ডি ২৯৩৫ রেডিও এখনও আছে। দিন-রাত রেডিও শুনে রিসেপশন রিপোর্ট পাঠানো আর QSL কার্ড সংগ্রহ করা - নেশার মতো ছিলো সেসময়। আস্তে আস্তে সেই শখ থিতু হয়ে আসে। জায়গা নেয় ছবি তোলা। এখনও শিখছি এবং তুলছি নানা রকম ছবি। কয়েক মাস ধরে শখ হয়েছে ক্র্যাফটিং এর। মূলত গয়না এবং নানা রকম কার্ড তৈরী, সাথে এক-আধটু স্ক্র্যাপবুকিং। সাথে মাঝে মধ্যে ব্লগ লেখা আর জাবর কাটা। এই নিয়েই চলছে জীবন বেশ।