মতিঝিলে দুপুরের খাবার

গতকাল গিয়েছিলাম পল্টন একটা কাজে। কাজ শেষ করে দেখি প্রায় ২টা বাজে। আমি হাটা শুরু করলাম মতিঝিলের দিকে। উদ্দেশ্য ছিলো হালকা কিছু খেয়ে মেট্রোরেলে চড়ে বসবো।

হাটতে হাটতে মতিঝিল মেট্রোষ্টেশনের কাছে চলে গেলাম। পথে ছোট-বড় বেশ কিছু খাবারের দোকান আর রেষ্টুরেন্ট চোখে পড়লো। ফেসবুক বা ইউটিউব ভিডিও’তে দেখেছিলাম মতিঝিল / দিলখুশার অলিতে গলিতে কিছু অস্থায়ী খাবারের দোকান আছে যেখানে বেশ সস্তায় খাবার পাওয়া যায়।

মোহামেডান ক্লবের গলি পার হয়ে সামনে এগোতেই আরেক গলির মুখে একটা ফুডতার্ট চোখে পড়লো। ফুডকার্টের ভিতরে ফ্রায়েড রাইস আর নুডলস সহ আরো বেশ কিছু আইটেম। পাশেই কিছু একটা ভাজা চলছে।

আজকের রান্না কিা জিজ্ঞেস করতেই একজন জানালো অবশ্যই। দাম ফ্রায়েড রাইস ডিম দিয়ে ৬০ টাকা আর চিকেন ফ্রাই দিয়ে ১২০ টাকা। সাথে চাইনিজ ভেজিটেবল আছে।

আমি ডিম দিয়ে অর্ডার দিলাম। খেতে মোটামুটি, ভেজিটেবলে লবন একটু বেশী মনে হলো। তবে দাম অনুযায়ী বেশ ভালই বলবো। যারা স্বাস্থ্যসচেতন, হাইজিন মেইনটেইন করে চলেন তাদের জন্য আসলে এই খাবার না। যারা মতিঝিল / দিলখুশায় যান তারা জানেন এরকম গলিগুলো কেমন। আর গতকাল বৃষ্টি কাঁদায় পুরাই অবস্থা খারাপ। আমি বিল দিয়ে হাটা দিলাম মেট্রোষ্টেশনের দিকে।

ফেসবুক মন্তব্য

রিফাত জামিল ইউসুফজাই

জাতিতে বাঙ্গালী, তবে পূর্ব পূরুষরা নাকি এসেছিলো আফগানিস্তান থেকে - পাঠান ওসমান খানের নেতৃত্বে মোঘলদের বিরুদ্ধে লড়াই করতে। লড়াই এ ওসমান খান নিহত এবং তার বাহিনী পরাজিত ও পর্যূদস্ত হয়ে ছড়িয়ে পড়ে টাঙ্গাইলের ২২ গ্রামে। একসময় কালিহাতি উপজেলার চারাণ গ্রামে থিতু হয় তাদেরই কোন একজন। এখন আমি থাকি বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকায়। কোন এককালে শখ ছিলো শর্টওয়েভ রেডিও শোনা। প্রথম বিদেশ ভ্রমণে একমাত্র কাজ ছিলো একটি ডিজিটাল রেডিও কেনা। ১৯৯০ সালে ষ্টকহোমে কেনা সেই ফিলিপস ডি ২৯৩৫ রেডিও এখনও আছে। দিন-রাত রেডিও শুনে রিসেপশন রিপোর্ট পাঠানো আর QSL কার্ড সংগ্রহ করা - নেশার মতো ছিলো সেসময়। আস্তে আস্তে সেই শখ থিতু হয়ে আসে। জায়গা নেয় ছবি তোলা। এখনও শিখছি এবং তুলছি নানা রকম ছবি। কয়েক মাস ধরে শখ হয়েছে ক্র্যাফটিং এর। মূলত গয়না এবং নানা রকম কার্ড তৈরী, সাথে এক-আধটু স্ক্র্যাপবুকিং। সাথে মাঝে মধ্যে ব্লগ লেখা আর জাবর কাটা। এই নিয়েই চলছে জীবন বেশ।