মাইলষ্টোন স্কুলে বিমান বিধ্বস্ত

সকালে বাসা থেকে বের হয়েছিলাম সকাল ১১টার দিকে। প্রথমে গেলাম উত্তরা উত্তর মেট্রো ষ্টেশনে। সেখান থেকে মেট্রোতে করে গেলাম বাংলাদেশ সচিবালয়। এরপর হেটে পল্টন। প্রথম কাজ সেরে গেলাম সুন্দরবন স্কয়ার মার্কেটে একটা ট্রাইপড কিনতে। সেখান থেকে আগা সাদেক রোড। কিন্তু যে উদ্দেশ্যে গেলাম সেটি হলো না। সেখান থেকে দূপুরের লাঞ্চ করে বাসে উঠে বসলাম উত্তরা যাওয়ার জন্য। 

ফার্মগেট পার হওয়ার পর মোবাইল বের করে দেখি বোন কল করেছিলো। আমি ফোন ব্যাক করতেই প্রথমে জিজ্ঞেস করলো আমার অবস্থান। বলতেই তখন বলে মাইলষ্টোন স্কুল এন্ড কলেজের দিয়াবড়ী ক্যাম্পাসে বিমান বিধ্বস্ত হয়েছে, অনেকে হতাহত। সাথে বোন যোগ করলো আমাের ছোট ভাই এর ছেলে ক্লাস শেষে কলেজ থেকে বের হওয়ার পরই নাকি বিমান বিধ্বস্ত হয়েছে। ও নিরাপদেই বাসায় পৌছাতে পেরেছে। 

আমি ফোন রেখে সাথে সাথেই অনলাইন নিউজ পেপারগুলো খুলে চোখ বুলালাম। খবর মোটামুটি জানা গেলো। বিমান বাহিনীর প্রশিক্ষণ বিমান। 

বাসায় এসে ফেসবুকে কিছু ছবি / ভিডিও দেখে মাথা চক্কর দিয়ে উঠলো। আগুনে পুড়ে ঝলসে গেছে এরকম দুটো ছেলে এই অবস্থাতে হেটে যাচ্ছে। এরপর আর কিছু দেখার ইচ্ছে হয় নাই। 

শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত ১৯জন নিহত, শতাধিক আহত। আর কতজন নিখোঁজ সে খবর নাই।

ফেসবুক মন্তব্য

রিফাত জামিল ইউসুফজাই

জাতিতে বাঙ্গালী, তবে পূর্ব পূরুষরা নাকি এসেছিলো আফগানিস্তান থেকে - পাঠান ওসমান খানের নেতৃত্বে মোঘলদের বিরুদ্ধে লড়াই করতে। লড়াই এ ওসমান খান নিহত এবং তার বাহিনী পরাজিত ও পর্যূদস্ত হয়ে ছড়িয়ে পড়ে টাঙ্গাইলের ২২ গ্রামে। একসময় কালিহাতি উপজেলার চারাণ গ্রামে থিতু হয় তাদেরই কোন একজন। এখন আমি থাকি বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকায়। কোন এককালে শখ ছিলো শর্টওয়েভ রেডিও শোনা। প্রথম বিদেশ ভ্রমণে একমাত্র কাজ ছিলো একটি ডিজিটাল রেডিও কেনা। ১৯৯০ সালে ষ্টকহোমে কেনা সেই ফিলিপস ডি ২৯৩৫ রেডিও এখনও আছে। দিন-রাত রেডিও শুনে রিসেপশন রিপোর্ট পাঠানো আর QSL কার্ড সংগ্রহ করা - নেশার মতো ছিলো সেসময়। আস্তে আস্তে সেই শখ থিতু হয়ে আসে। জায়গা নেয় ছবি তোলা। এখনও শিখছি এবং তুলছি নানা রকম ছবি। কয়েক মাস ধরে শখ হয়েছে ক্র্যাফটিং এর। মূলত গয়না এবং নানা রকম কার্ড তৈরী, সাথে এক-আধটু স্ক্র্যাপবুকিং। সাথে মাঝে মধ্যে ব্লগ লেখা আর জাবর কাটা। এই নিয়েই চলছে জীবন বেশ।