শাহ মখদুম এভেনিউ

শাহ মখদুম এভেনিউ উত্তরা সেক্টর ১২ এবং ১৩ এর মাঝ দিয়ে চলে গেছে। একই সাথে গাউসুল আজম এভেনিউ আর সোনারগাঁও জনপথ কে সংযুক্ত করেছে। এই সড়কটির দুই পাশে সবই ধরতে গেলে বাণিজ্যিক ভবন। কোন কোনটিতে বসবাসের ফ্ল্যাট থাকলেও নিচের তলা বাণিজ্যিক কাজে ব্যবহার করা হচ্ছে। এখানে বেশ কিছু রেষ্টুরেন্ট আছে, খালি প্লটে গড়ে উঠেছে কয়েকটি ফুডকোর্ট। আর রাস্তায় কিছু ফুডকার্ট তো আছেই।

রাস্তার পাশের বেশ কিছু প্লটে আছে গাড়ীর ওয়ার্কশপ আর মোটর পার্টসের দোকান। এদের কারণে ফুটপাত দিয়ে হাটা বেশ কঠিন। আর ফুটপাতগুলো ও ভাঙ্গাচোরা। ইদানিং উত্তরায় যানজট কমানোর জন্য অনেক জায়গাতেই ইউটার্ণ বন্ধ করা হয়েছে। যানজট কমলেও উল্টাপথে রিক্সা আর মোটর বাইক এর চলাচল বেড়ে গেছে।

গাইসুল আজম এভেনিউ এর মুখে আছে ডায়বেটিক সমিতির একটি ক্লিনিক আর সোনারগাঁও জনপথ মোরে রবীন্দ্র সৃজনকলা বিশ্ববিদ্যালয়।

চলুন হেটে আসি সেই শাহ মখদুম এভেনিউ থেকে।

ফেসবুক মন্তব্য

রিফাত জামিল ইউসুফজাই

জাতিতে বাঙ্গালী, তবে পূর্ব পূরুষরা নাকি এসেছিলো আফগানিস্তান থেকে - পাঠান ওসমান খানের নেতৃত্বে মোঘলদের বিরুদ্ধে লড়াই করতে। লড়াই এ ওসমান খান নিহত এবং তার বাহিনী পরাজিত ও পর্যূদস্ত হয়ে ছড়িয়ে পড়ে টাঙ্গাইলের ২২ গ্রামে। একসময় কালিহাতি উপজেলার চারাণ গ্রামে থিতু হয় তাদেরই কোন একজন। এখন আমি থাকি বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকায়। কোন এককালে শখ ছিলো শর্টওয়েভ রেডিও শোনা। প্রথম বিদেশ ভ্রমণে একমাত্র কাজ ছিলো একটি ডিজিটাল রেডিও কেনা। ১৯৯০ সালে ষ্টকহোমে কেনা সেই ফিলিপস ডি ২৯৩৫ রেডিও এখনও আছে। দিন-রাত রেডিও শুনে রিসেপশন রিপোর্ট পাঠানো আর QSL কার্ড সংগ্রহ করা - নেশার মতো ছিলো সেসময়। আস্তে আস্তে সেই শখ থিতু হয়ে আসে। জায়গা নেয় ছবি তোলা। এখনও শিখছি এবং তুলছি নানা রকম ছবি। কয়েক মাস ধরে শখ হয়েছে ক্র্যাফটিং এর। মূলত গয়না এবং নানা রকম কার্ড তৈরী, সাথে এক-আধটু স্ক্র্যাপবুকিং। সাথে মাঝে মধ্যে ব্লগ লেখা আর জাবর কাটা। এই নিয়েই চলছে জীবন বেশ।