শীতকাল

দেখতে দেখতে শীতকাল এসেই গেলো। যদিও ঢাকায় শীত সেভাবে পড়ে নাই। এখনও ভারী কোন গরম কাপড় ছাড়াই চলতে পারছি। ভোরে, সন্ধ্যার পর বা যেদিন রাত নঢটার দিকে বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র থেকে বের হই তখন বেশ শীত লাগে। আপাতত ফ্লানেলের শার্ট আর ভিতরে একটা টিশার্ট দিয়েই শীত নিবারণ করা যাচ্ছে। এর সাথে সামনে হয়তো একটা কান ঢাকা টুপি যোগ করবো। 

বেড়াতে বের হতে চাইছি, কিন্তু হাতের কথা চিন্তা করে পিছিয়ে যাচ্ছি। ডাক্তার দুইমাস ভারী কিছু তুলতে নিষেধ করেছেন। কিন্তু নিজে যা বুঝছি তাতে এই ভারী জিনিস তোলার নিষেধাজ্ঞা আরো দীর্ঘায়িত হতে পারে। ভাতের প্লেট হাতে নিলেও ভালই টান অনুভব করি। সেদিন এক সহপাঠি জানালেন তিনি প্রায় একবছর ভাঙ্গা হাত নিয়ে সমস্যায় ছিলেন। সেরকম হলে তো বিশাল সমস্যা। 

আপাতত তাই ঘরে আর এদিক সেদিক এক-আধটু ঘুরে সময় কাটাচ্ছি। হাটাও হচ্ছে না ঠিকমতো, তবে খাওয়া-দাওয়া চলচে। কখনও কখনও একটু বেশীই। 

ভাল থাকুন নিরন্তর।

ফটো ক্রেডিট : চ্যাটজিপিটি

ফেসবুক মন্তব্য

রিফাত জামিল ইউসুফজাই

জাতিতে বাঙ্গালী, তবে পূর্ব পূরুষরা নাকি এসেছিলো আফগানিস্তান থেকে - পাঠান ওসমান খানের নেতৃত্বে মোঘলদের বিরুদ্ধে লড়াই করতে। লড়াই এ ওসমান খান নিহত এবং তার বাহিনী পরাজিত ও পর্যূদস্ত হয়ে ছড়িয়ে পড়ে টাঙ্গাইলের ২২ গ্রামে। একসময় কালিহাতি উপজেলার চারাণ গ্রামে থিতু হয় তাদেরই কোন একজন। এখন আমি থাকি বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকায়। কোন এককালে শখ ছিলো শর্টওয়েভ রেডিও শোনা। প্রথম বিদেশ ভ্রমণে একমাত্র কাজ ছিলো একটি ডিজিটাল রেডিও কেনা। ১৯৯০ সালে ষ্টকহোমে কেনা সেই ফিলিপস ডি ২৯৩৫ রেডিও এখনও আছে। দিন-রাত রেডিও শুনে রিসেপশন রিপোর্ট পাঠানো আর QSL কার্ড সংগ্রহ করা - নেশার মতো ছিলো সেসময়। আস্তে আস্তে সেই শখ থিতু হয়ে আসে। জায়গা নেয় ছবি তোলা। এখনও শিখছি এবং তুলছি নানা রকম ছবি। কয়েক মাস ধরে শখ হয়েছে ক্র্যাফটিং এর। মূলত গয়না এবং নানা রকম কার্ড তৈরী, সাথে এক-আধটু স্ক্র্যাপবুকিং। সাথে মাঝে মধ্যে ব্লগ লেখা আর জাবর কাটা। এই নিয়েই চলছে জীবন বেশ।