৯৩ পয়সা প্রতি গ্রাম

সেদিন ঘুরতে ঘুরতে গেলাম যমুনা ফিউচার পার্ক। কোন কেনা-কাটা নাই। হুদাই এই কোনা, সেই কোনা, এই ফ্লোর, সেই ফ্লোর ঘুরলাম কিছুক্ষণ। কোন এক ফ্লোরে একটা খালি বেঞ্চ পেয়ে বসে থাকলাম কিছু সময়। তারপর দেখি ভাল লাগে না। শেষে গেলাম ফুড কোর্টে, দূপুরের খাবার তখনও খাওয়া হয় নাই। ফুড কোর্টেও কিছুক্ষণ ঘুরলাম। শেষে খালি চেয়ার-টেবিল পেয়ে আবার বসলাম। তখনই চোখ গেলো সালাদ লাভার্স নামে এক দোকানের দিকে। লেখা ‘প্রতি গ্রাম ৯৩ পয়সা’। শেফস টেবিলে এরকম এক দোকানে খেয়েছিলাম আগে। যতটুকু খাব, ততটুকুর দাম পে করতে হয়। ভাবলাম এখানেই খাই।
 
বেছে বেছে নিলাম কিছু খাবার। ওজন করে বললো ৩৩০ টাকা, ৩৫৫ গ্রামের মতো ওজন ছিলো। পে করে খেতে বসলাম। যতটুকু নিয়েছিলাম, খেতে ভালই লাগছিলো। বিশেষ করে মাশরুম আর জেলাপিনো, সাথে রাইসও ভাল ছিলো। যদিও রাইস মাত্র এক চামচ নিয়েছিলা। তবে পরিমান অনুযায়ী মনে হলো দাম বেশী। এই টাকায় হাফ প্লেট কাচ্চি হয়ে যেতো। সান্তনা এই যে খাবার স্বাস্থ্যসম্মত ছিলো, তেল-চর্বির বাহুল্য ছিলো না।
 

ফেসবুক মন্তব্য

রিফাত জামিল ইউসুফজাই

জাতিতে বাঙ্গালী, তবে পূর্ব পূরুষরা নাকি এসেছিলো আফগানিস্তান থেকে - পাঠান ওসমান খানের নেতৃত্বে মোঘলদের বিরুদ্ধে লড়াই করতে। লড়াই এ ওসমান খান নিহত এবং তার বাহিনী পরাজিত ও পর্যূদস্ত হয়ে ছড়িয়ে পড়ে টাঙ্গাইলের ২২ গ্রামে। একসময় কালিহাতি উপজেলার চারাণ গ্রামে থিতু হয় তাদেরই কোন একজন। এখন আমি থাকি বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকায়। কোন এককালে শখ ছিলো শর্টওয়েভ রেডিও শোনা। প্রথম বিদেশ ভ্রমণে একমাত্র কাজ ছিলো একটি ডিজিটাল রেডিও কেনা। ১৯৯০ সালে ষ্টকহোমে কেনা সেই ফিলিপস ডি ২৯৩৫ রেডিও এখনও আছে। দিন-রাত রেডিও শুনে রিসেপশন রিপোর্ট পাঠানো আর QSL কার্ড সংগ্রহ করা - নেশার মতো ছিলো সেসময়। আস্তে আস্তে সেই শখ থিতু হয়ে আসে। জায়গা নেয় ছবি তোলা। এখনও শিখছি এবং তুলছি নানা রকম ছবি। কয়েক মাস ধরে শখ হয়েছে ক্র্যাফটিং এর। মূলত গয়না এবং নানা রকম কার্ড তৈরী, সাথে এক-আধটু স্ক্র্যাপবুকিং। সাথে মাঝে মধ্যে ব্লগ লেখা আর জাবর কাটা। এই নিয়েই চলছে জীবন বেশ।