জ্যাম এবং সাম্প্রতিক ভাবনা

করোনা সংক্রমন কমে যাওয়ার পর সব খুলে দেয়া হয়েছে। স্কুল-কলেজ সহ অফিস আদালত সব তার স্বাভাবিক ছন্দে ফিরেছে। তো ঢাকার সেই জ্যাম আর বাকি থাকি কেন। সেটাও ফিরেছে এবং অসহনীয় পর্যায়ে চলে গেছে। আমার অবশ্য অফিস আদালতে যেতে হয় না এবং কালেভদ্রে এলাকার বাইরে যাই। টিভিতে খবর দেখে এবং পত্রিকা / সোশ্যাল মিডিয়ায় যানজটের খবর পড়ে এখন নিতান্ত ঠ্যাকায় না পড়লে এলাকার বাইরে দূরে কোথাও যাই না।

ফেসবুকে ট্র্যাফিক এলার্ট গ্রুপে নিয়মিত জ্যামের খবর পড়তে পড়তে মনে হলো কিছু একটা লিখি। ফেসবুকেই ষ্ট্যাটাস দিলাম ‘জ্যাম যে হারে বাড়ছে বাসা থেকে বের হওয়ার সময় প্রতিদিনই ১০/১৫ মিনিট করে এগিয়ে আনতে হচ্ছে। কোন একদিন হয়তো দেখা যাবে অফিস শেষে বাসায় ফিরে চারটা ডাল-ভাত খেয়েই আবার অফিসের উদ্দেশ্যে বের হয়ে যেতে হবে’।

শ্রদ্ধাভাজন সৈয়দ মুসা রেজা ভাই পরামর্শ দিলেন যে অফিসে গিয়ে আর ফেরার দরকার কি। বরং পুরো সপ্তাহ অফিস করে সপ্তাহান্তে বাসায় ফেরা যেতে পারে। 

অবস্থা যেদিকে যাচ্ছে অদূর ভবিষ্যতে হয়তো সেরকমই করতে হবে। অফিসের কাজ শেষে অফিসেই রাত্রিযাপন এবং সপ্তাহান্তে নিজ বাসায় অতিথি হয়ে ঘুরে আসা। 

সামনের সপ্তাহ ভাল কাটুক এই কামনায়…

রিফাত জামিল ইউসুফজাই

জাতিতে বাঙ্গালী, তবে পূর্ব পূরুষরা নাকি এসেছিলো আফগানিস্তান থেকে - পাঠান ওসমান খানের নেতৃত্বে মোঘলদের বিরুদ্ধে লড়াই করতে। লড়াই এ ওসমান খান নিহত এবং তার বাহিনী পরাজিত ও পর্যূদস্ত হয়ে ছড়িয়ে পড়ে টাঙ্গাইলের ২২ গ্রামে। একসময় কালিহাতি উপজেলার চারাণ গ্রামে থিতু হয় তাদেরই কোন একজন। এখন আমি থাকি বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকায়। কোন এককালে শখ ছিলো শর্টওয়েভ রেডিও শোনা। প্রথম বিদেশ ভ্রমণে একমাত্র কাজ ছিলো একটি ডিজিটাল রেডিও কেনা। ১৯৯০ সালে ষ্টকহোমে কেনা সেই ফিলিপস ডি ২৯৩৫ রেডিও এখনও আছে। দিন-রাত রেডিও শুনে রিসেপশন রিপোর্ট পাঠানো আর QSL কার্ড সংগ্রহ করা - নেশার মতো ছিলো সেসময়। আস্তে আস্তে সেই শখ থিতু হয়ে আসে। জায়গা নেয় ছবি তোলা। এখনও শিখছি এবং তুলছি নানা রকম ছবি। কয়েক মাস ধরে শখ হয়েছে ক্র্যাফটিং এর। মূলত গয়না এবং নানা রকম কার্ড তৈরী, সাথে এক-আধটু স্ক্র্যাপবুকিং। সাথে মাঝে মধ্যে ব্লগ লেখা আর জাবর কাটা। এই নিয়েই চলছে জীবন বেশ।