পোলারয়েড ফটো প্রিন্ট

অনেকেই হয়তো পোলারয়েড ক্যামেরা দেখেছি বা ব্যবহার করেছি। ইদানিং দেশে পাওয়া যাচ্ছে ফুজি ইনষ্ট্যাক্স ক্যামেরা। সাথে সাথে ছবি পাওয়া ছাড়াও আরো একটি বৈশিষ্ঠ্য আছে পোলারয়েড ক্যামেরার। ক্যামেরায় তোলা ছবিগুলি বর্গাকার এবং নিচের দিকে একফালি সাদা / খালি অংশ। ইচ্ছে বরলে এখানে কোন মেসেজ লিখে রাখা যায়। ষ্টিকার ইত্যাদি দিয়ে সাজানোও যায়। ইনষ্টাগ্রামের ছবিগুলোও কিন্তু বর্গাকার। তবে এইসব ক্যামেরার সবচেয়ে বড় সমস্যা এগুলোর অপারেটিং কস্ট। ফুজি ইনষ্ট্যাক্স ক্যামেরার দাম যাই হোক, ১০টি স্ন্যাপের এক বক্স ফিল্ম কিনতে গেলেই খরচ করতে হবে ৯৫০ টাকা। মানে প্রতিটি ছবির দাম পড়ছে ৯৫ টাকা করে। শখে একআধবার ছবি তোলার পর দেখা যায় ক্যামেরা প্রায় অব্যবহৃতই থাকে।

তবে আমরা ইচ্ছে করলেই যে কোন ডিজিটাল ক্যামেরায় তোলা ছবি সাধারণ ইঙ্কজেট প্রিন্টারে এই পোলারয়েড ছবির মতো করে প্রিন্ট করতে পারি। বর্গাকার হবে, সাথে নিচে কিছুটা জায়গা ফাঁকা থাকবে। এরজন্য লাগবে যে কোন ইঙ্কজেট প্রিন্টার, 4R সাইজের ফটো পেপার আর ফটোশপ। 4R সাইজের ফটো পেপার আমি কিনেছি পল্টন থেকে, দাম নিয়েছিলো ২০০ টাকা। এক প্যাকেটে ১০০ শিট থাকে।

ফটোশপে ছবি ওপেন করুন। এরপর এটিকে 4R সাইজে নিয়ে আসুন। 4R সাইজের মাপ হচ্ছে ৪ ইঞ্চি বাই ৬ ইঞ্চি। এরপর আপনাকে বর্গাকার সাইজে ক্রপ করতে হবে ছবি। আমি ৪ ইঞ্চি বাই ৪ ইঞ্চি সাইজে ক্রপ করেছি।

ক্রপ করার পর আপনি প্রিন্ট কমান্ড দিয়ে দিতে পারেন। প্রিন্টার সেটিংস থেকে 4R সাইজ ফটো পেপার সিলেক্ট করুন। প্রিন্ট কোয়ালিটি ১০০% করে দিন। প্রিন্টার ভেদে এই সেটিংসগুলিতে কিছুটা ভিন্নতা থাকতে পারে। প্রিভিউ দেখুন। চবি যদি মাঝে দেখায় তবে কার্সর দিয়ে টেনে একদম উপরে নিয়ে যান। এবার প্রিন্ট করে ফেলুন।

আশা করি আপনি আপনার পোলারয়েড প্রিন্ট পেয়ে গেছেন।

হ্যাপি ক্লিকিং

রিফাত জামিল ইউসুফজাই

জাতিতে বাঙ্গালী, তবে পূর্ব পূরুষরা নাকি এসেছিলো আফগানিস্তান থেকে - পাঠান ওসমান খানের নেতৃত্বে মোঘলদের বিরুদ্ধে লড়াই করতে। লড়াই এ ওসমান খান নিহত এবং তার বাহিনী পরাজিত ও পর্যূদস্ত হয়ে ছড়িয়ে পড়ে টাঙ্গাইলের ২২ গ্রামে। একসময় কালিহাতি উপজেলার চারাণ গ্রামে থিতু হয় তাদেরই কোন একজন। এখন আমি থাকি বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকায়। কোন এককালে শখ ছিলো শর্টওয়েভ রেডিও শোনা। প্রথম বিদেশ ভ্রমণে একমাত্র কাজ ছিলো একটি ডিজিটাল রেডিও কেনা। ১৯৯০ সালে ষ্টকহোমে কেনা সেই ফিলিপস ডি ২৯৩৫ রেডিও এখনও আছে। দিন-রাত রেডিও শুনে রিসেপশন রিপোর্ট পাঠানো আর QSL কার্ড সংগ্রহ করা - নেশার মতো ছিলো সেসময়। আস্তে আস্তে সেই শখ থিতু হয়ে আসে। জায়গা নেয় ছবি তোলা। এখনও শিখছি এবং তুলছি নানা রকম ছবি। কয়েক মাস ধরে শখ হয়েছে ক্র্যাফটিং এর। মূলত গয়না এবং নানা রকম কার্ড তৈরী, সাথে এক-আধটু স্ক্র্যাপবুকিং। সাথে মাঝে মধ্যে ব্লগ লেখা আর জাবর কাটা। এই নিয়েই চলছে জীবন বেশ।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *