জুয়া

বিভিন্ন গেম খেলার সময় বা ভিডিও দেখতে গেলে বা সাইট ভিজিট করার সময় নানা রকম এড দেখা যায়। আবার অনেক এপস ফ্রি ব্যবহার করতে গেলেও এড দেখতে হয়। এসব এড এর একটা বড় অংশ হলো অনলাইন জুয়ার। আন্তর্জাতিক ফুটবল বা ক্রিকেট খেলার সময়ও অনলাইনে বাজি ধরা হয়। চেনা পরিচিত কয়েকজন’কে দেখেছি এসব বাজিতে আসক্ত।
 
পরিচিত দু’জন সম্পর্কে জানলাম তারা এসব অনলাইন জুয়া / বাজিতে আসক্ত হয়ে বিপুল পরিমান টাকা নষ্ট করেছে। একজন পৈতৃক সুত্রে পাওয়া প্রায় কোটি হারিয়ে প্রায় পথের ফকির। আরেকজন ব্যবসার পূঁজি তো হারিয়েছেই, সাথে প্রায় অর্থ কোটি টাকার দেনায় ডুবে আছে। দু’জনেরই পরিবার আছে, ছোট ছেলে-মেয়ে আছে।
 
এদের দু’জনের বিষয়ে জানার পর কয়েকজনের সাথে আলাপ হলো। যা বুঝলাম এই অনলাইন জুয়া গাঁজা / হেরোইন এর নেশার চাইতে কোন অংশে কম না। অনেকেই এই সর্বনাশা নেশায় আসক্ত হয়ে সব কিছু নষ্ট করে ফেলেছে।
 
ফটো ক্রেডিট

Stefan Schweihofer – https://pixabay.com/de/photos/roulette-rouletterad-kugel-drehen-1003120/ কর্তৃক, CC0, সংযোগ

 

রিফাত জামিল ইউসুফজাই

জাতিতে বাঙ্গালী, তবে পূর্ব পূরুষরা নাকি এসেছিলো আফগানিস্তান থেকে - পাঠান ওসমান খানের নেতৃত্বে মোঘলদের বিরুদ্ধে লড়াই করতে। লড়াই এ ওসমান খান নিহত এবং তার বাহিনী পরাজিত ও পর্যূদস্ত হয়ে ছড়িয়ে পড়ে টাঙ্গাইলের ২২ গ্রামে। একসময় কালিহাতি উপজেলার চারাণ গ্রামে থিতু হয় তাদেরই কোন একজন। এখন আমি থাকি বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকায়। কোন এককালে শখ ছিলো শর্টওয়েভ রেডিও শোনা। প্রথম বিদেশ ভ্রমণে একমাত্র কাজ ছিলো একটি ডিজিটাল রেডিও কেনা। ১৯৯০ সালে ষ্টকহোমে কেনা সেই ফিলিপস ডি ২৯৩৫ রেডিও এখনও আছে। দিন-রাত রেডিও শুনে রিসেপশন রিপোর্ট পাঠানো আর QSL কার্ড সংগ্রহ করা - নেশার মতো ছিলো সেসময়। আস্তে আস্তে সেই শখ থিতু হয়ে আসে। জায়গা নেয় ছবি তোলা। এখনও শিখছি এবং তুলছি নানা রকম ছবি। কয়েক মাস ধরে শখ হয়েছে ক্র্যাফটিং এর। মূলত গয়না এবং নানা রকম কার্ড তৈরী, সাথে এক-আধটু স্ক্র্যাপবুকিং। সাথে মাঝে মধ্যে ব্লগ লেখা আর জাবর কাটা। এই নিয়েই চলছে জীবন বেশ।