ফেসবুক কাহিনী

আমার প্রোফাইল আর পেজ নিয়ে ব্যাপক হ্যাপায় আছি। ইংরেজীতে নাম লেখাটি আমার প্রোফাইল আর বাংলায় নাম লেখাটি আমার পেজ। পেজটি মূলতঃ আমার শখ (ফটোগ্রাফি, ব্লগিং আর ক্র্যাফটিং) হাইলাইট করার জন্য বানিয়েছিলাম। তবে বর্তমানে শুধূই ফটোগ্রাফি।
 
আমি সাধারণত পেজে পোষ্ট দিয়ে প্রোফাইলে শেয়ার করতাম। তাতে ২/৩শত ভিউ হতো।কোন কোন সময় ৫+শত ভিউ ও পাওয়া যেতো। ভিউ কালে-ভদ্রে ১ হাজারের গন্ডি ছাড়াতো। ফটোগ্রাফি কোর্সমেট তাহফিনা নাজনীন এর একটা ছবি শেয়ার করার পর পেজের ভিউ বেশ বাড়ছিলো।
 
কিন্তু এরপরই ফেসবুক আমার প্রোফাইলকে ডিজিটাল ক্রিয়েটর বানিয়ে দিলো। পেজের লেখা এখানে শেয়ার করলে দেখা যাচ্ছে ভিউ কেবল কমতেছে। প্রোফাইলের পোষ্টে কোন ছবি না দিলে ভিউ ও লিমিট করে দেয়। আর প্রতি সপ্তাহে টার্গেট দিয়ে দেয় যে ৮টা পোষ্ট দিতে হবে, ৮টা রিলস সাথে আরো কিছু। ফেসবুকের কান্ডকীর্তি আগেও বুঝতাম না আর এখন তো পুরাই গ্রীক ভাষা মনে হচ্ছে।
 
ভাবতেছি এখন থেকে প্রোফাইলে বিভিন্ন লেখা লিখবো, সাথে ছবি। পেজে কেবল ফটোগ্রাফি নিয়ে। পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে দেখি কি দিয়ে কি হয়।
ফটোগ্রাফি কোর্স শুরুর আগে চেষ্টা করছিলাম ফেসবুক ব্যবহার কমাতে। মোবাইল থেকে এপও আনইনষ্টল করেছিলাম। কিন্তু কোন কুক্ষণে এপ আবার ইনষ্টল করার পর থেকেই ব্যবহার কেবল বাড়ছেই। আমি ফেসবুক ছাড়তে চাইলেও ফেসবুক আমাকে ছাড়ে না। কি এক যন্ত্রণা।
 
 

রিফাত জামিল ইউসুফজাই

জাতিতে বাঙ্গালী, তবে পূর্ব পূরুষরা নাকি এসেছিলো আফগানিস্তান থেকে - পাঠান ওসমান খানের নেতৃত্বে মোঘলদের বিরুদ্ধে লড়াই করতে। লড়াই এ ওসমান খান নিহত এবং তার বাহিনী পরাজিত ও পর্যূদস্ত হয়ে ছড়িয়ে পড়ে টাঙ্গাইলের ২২ গ্রামে। একসময় কালিহাতি উপজেলার চারাণ গ্রামে থিতু হয় তাদেরই কোন একজন। এখন আমি থাকি বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকায়। কোন এককালে শখ ছিলো শর্টওয়েভ রেডিও শোনা। প্রথম বিদেশ ভ্রমণে একমাত্র কাজ ছিলো একটি ডিজিটাল রেডিও কেনা। ১৯৯০ সালে ষ্টকহোমে কেনা সেই ফিলিপস ডি ২৯৩৫ রেডিও এখনও আছে। দিন-রাত রেডিও শুনে রিসেপশন রিপোর্ট পাঠানো আর QSL কার্ড সংগ্রহ করা - নেশার মতো ছিলো সেসময়। আস্তে আস্তে সেই শখ থিতু হয়ে আসে। জায়গা নেয় ছবি তোলা। এখনও শিখছি এবং তুলছি নানা রকম ছবি। কয়েক মাস ধরে শখ হয়েছে ক্র্যাফটিং এর। মূলত গয়না এবং নানা রকম কার্ড তৈরী, সাথে এক-আধটু স্ক্র্যাপবুকিং। সাথে মাঝে মধ্যে ব্লগ লেখা আর জাবর কাটা। এই নিয়েই চলছে জীবন বেশ।