জীবনসঙ্গী

এক মহিলার স্বামীর সাথে ছাড়াছাড়ি হয়ে যায় বেশ কয়েক বছর আগে। তখন তার মেয়েরা স্কুলে পড়তো। মেয়েদের সাথে বাবার প্রায় না থাকার মতোই যোগাযোগ ছিলো। তারা বড় হওয়ার পর যে যার পছন্দ মতো সংসার শুরু করে। মা হয়ে যায় একা। মেয়েরা মায়ের এই নিঃসঙ্গতা বুঝেই উদ্যোগ নেয় বিয়ে দেয়ার। শেষ পর্যন্ত ডিভোর্সী এক ভদ্রলোকের সাথে মায়ের বিয়ে হয়।
 
অনেকেই হয়তো এই বিষয়টি নিয়ে নানারকম কথা বলবে। সেদিন কেন্দ্রে একজন বিখ্যাত মহিলা ফটোগ্রাফার বলছিলেন মায়ের মৃত্যুর পর তার বাবা আবার বিয়ে করলে তিনি বাবার সাথে কথা বলাই বন্ধ করে দিয়েছিলেন। কিন্তু একটা সময় পরে তিনি অনুধাবন করেন বাবার জন্য এই দ্বিতীয় বিয়েটা কতটা প্রয়োজন ছিলো।

ফটো ক্রেডিট : চ্যাটজিপিটি

রিফাত জামিল ইউসুফজাই

জাতিতে বাঙ্গালী, তবে পূর্ব পূরুষরা নাকি এসেছিলো আফগানিস্তান থেকে - পাঠান ওসমান খানের নেতৃত্বে মোঘলদের বিরুদ্ধে লড়াই করতে। লড়াই এ ওসমান খান নিহত এবং তার বাহিনী পরাজিত ও পর্যূদস্ত হয়ে ছড়িয়ে পড়ে টাঙ্গাইলের ২২ গ্রামে। একসময় কালিহাতি উপজেলার চারাণ গ্রামে থিতু হয় তাদেরই কোন একজন। এখন আমি থাকি বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকায়। কোন এককালে শখ ছিলো শর্টওয়েভ রেডিও শোনা। প্রথম বিদেশ ভ্রমণে একমাত্র কাজ ছিলো একটি ডিজিটাল রেডিও কেনা। ১৯৯০ সালে ষ্টকহোমে কেনা সেই ফিলিপস ডি ২৯৩৫ রেডিও এখনও আছে। দিন-রাত রেডিও শুনে রিসেপশন রিপোর্ট পাঠানো আর QSL কার্ড সংগ্রহ করা - নেশার মতো ছিলো সেসময়। আস্তে আস্তে সেই শখ থিতু হয়ে আসে। জায়গা নেয় ছবি তোলা। এখনও শিখছি এবং তুলছি নানা রকম ছবি। কয়েক মাস ধরে শখ হয়েছে ক্র্যাফটিং এর। মূলত গয়না এবং নানা রকম কার্ড তৈরী, সাথে এক-আধটু স্ক্র্যাপবুকিং। সাথে মাঝে মধ্যে ব্লগ লেখা আর জাবর কাটা। এই নিয়েই চলছে জীবন বেশ।