বিশ্বকাপ ফুটবল – ১

ফিফা বিশ্বকাপের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় ব্যবধানে জয়ের রেকর্ড ৯ গোলের। এই ব্যবধান এখন পর্যন্ত ৩ বার হয়েছে।

বছর ম্যাচ ফলাফল গোল ব্যবধান
১৯৫৪ হাঙ্গেরী বনাম দক্ষিণ কোরিয়া ৯–০
১৯৭৪ যুগোশ্লাভিয়া বনাম জায়ার ৯–০ 
১৯৮২ হাঙ্গেরী বনাম এল সালভাদর ১০–১ 

৮ গোল ব্যবধানে জয়
সুইডেন ৮–০ কিউবা (১৯৩৮)
উরুগুয়ে ৮–০ বলিভিয়া (১৯৫০)
জার্মানি ৮–০ সৌদি আরব (২০০২)

৭ গোল ব্যবধানে জয়ের উল্লেখযোগ্য ম্যাচ
উরুগুয়ে ৭–০ স্কটল্যান্ড
তুরস্ক ৭–০ দক্ষিণ কোরিয়া
পোল্যান্ড ৭–০ হাইতি
পর্তুগাল ৭–০ উত্তর কোরিয়া
স্পেন ৭–০ কোষ্টারিকা
জার্মানি ৭–১ ব্রাজিল (সেমিফাইনাল)

একটি মজার তথ্য হলো ১৯৮২ সালে ১০–১ ব্যবধানে হাঙ্গেরির জয়ই বিশ্বকাপে একমাত্র ম্যাচ যেখানে কোনো দল ১০ গোল করেছে, এবং এটি এখনও বিশ্বকাপের সর্বোচ্চ স্কোরলাইন।

ছবি : ইন্টারনেট

রিফাত জামিল ইউসুফজাই

জাতিতে বাঙ্গালী, তবে পূর্ব পূরুষরা নাকি এসেছিলো আফগানিস্তান থেকে - পাঠান ওসমান খানের নেতৃত্বে মোঘলদের বিরুদ্ধে লড়াই করতে। লড়াই এ ওসমান খান নিহত এবং তার বাহিনী পরাজিত ও পর্যূদস্ত হয়ে ছড়িয়ে পড়ে টাঙ্গাইলের ২২ গ্রামে। একসময় কালিহাতি উপজেলার চারাণ গ্রামে থিতু হয় তাদেরই কোন একজন। এখন আমি থাকি বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকায়। কোন এককালে শখ ছিলো শর্টওয়েভ রেডিও শোনা। প্রথম বিদেশ ভ্রমণে একমাত্র কাজ ছিলো একটি ডিজিটাল রেডিও কেনা। ১৯৯০ সালে ষ্টকহোমে কেনা সেই ফিলিপস ডি ২৯৩৫ রেডিও এখনও আছে। দিন-রাত রেডিও শুনে রিসেপশন রিপোর্ট পাঠানো আর QSL কার্ড সংগ্রহ করা - নেশার মতো ছিলো সেসময়। আস্তে আস্তে সেই শখ থিতু হয়ে আসে। জায়গা নেয় ছবি তোলা। এখনও শিখছি এবং তুলছি নানা রকম ছবি। কয়েক মাস ধরে শখ হয়েছে ক্র্যাফটিং এর। মূলত গয়না এবং নানা রকম কার্ড তৈরী, সাথে এক-আধটু স্ক্র্যাপবুকিং। সাথে মাঝে মধ্যে ব্লগ লেখা আর জাবর কাটা। এই নিয়েই চলছে জীবন বেশ।