মেসি

লিওনেল আন্দ্রেস মেসি — নামটি উচ্চারণ করলেই যেন চোখের সামনে ভেসে ওঠে একটি ছোটখাটো চেহারার মানুষের অলৌকিক দৌড়, যেন মাধ্যাকর্ষণকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে বল পায়ে এগিয়ে চলেছেন ডিফেন্ডারদের ভিড় ঠেলে। আর্জেন্টিনার রোসারিওতে ১৯৮৭ সালের ২৪ জুন জন্ম নেওয়া এই মানুষটি আজ শুধু একজন ফুটবলার নন — তিনি একটি যুগের প্রতীক।

ক্যারিয়ারের উত্থান
মাত্র ১৩ বছর বয়সে হরমোনজনিত সমস্যার চিকিৎসার খরচ বহনের বিনিময়ে বার্সেলোনা তাঁকে দলে নেয়। সেখান থেকেই শুরু এক অসাধারণ যাত্রার। বার্সেলোনার হয়ে তিনি জিতেছেন চারটি চ্যাম্পিয়নস লিগ, দশটি লা লিগা শিরোপা, এবং রেকর্ড আটবার বালোঁ দ’অর পুরস্কার।

জাতীয় দলে পূর্ণতা
দীর্ঘদিন আর্জেন্টিনার হয়ে বিশ্বকাপ জেতার স্বপ্ন অধরাই থেকে গিয়েছিল। কিন্তু ২০২২ সালের কাতার বিশ্বকাপে সেই স্বপ্ন পূরণ হয়। ফ্রান্সের বিপক্ষে রুদ্ধশ্বাস ফাইনালে টাইব্রেকারে জিতে মেসি তাঁর ক্যারিয়ারের সবচেয়ে কাঙ্ক্ষিত ট্রফি ঘরে তোলেন। তিনি আর্জেন্টিনার হয়ে ১৯৫টি ম্যাচ খেলে ১১৪টি গোল করেছেন।

এখন কোথায় মেসি ?
পিএসজি ছেড়ে ২০২৩ সালে মেসি পাড়ি জমান যুক্তরাষ্ট্রের মেজর লিগ সকারে, ইন্টার মায়ামিতে। ২০২৫ মৌসুমে তিনি ২৯ লিগ গোল ও ১৯ অ্যাসিস্ট করে ৪৮টি গোল অবদান রাখেন এবং পরপর দুইবার ল্যান্ডন ডোনোভান এমভিপি পুরস্কার জেতেন — এমএলএস ইতিহাসে যা প্রথমবার ঘটল। 

২০২৬ বিশ্বকাপে মেসি
৩৯ বছর বয়সেও মেসি রেকর্ড ষষ্ঠ বিশ্বকাপে অংশ নিচ্ছেন এবং সম্প্রতি আলজেরিয়ার বিপক্ষে হ্যাটট্রিক করে বিশ্বকাপে তাঁর গোলসংখ্যা ১৬-তে নিয়ে গেছেন, যা মিরোস্লাভ ক্লোসের সর্বকালীন রেকর্ড স্পর্শ করেছে। 

মাঠের বাইরে
২০২৬ সালে মেসির নেট ওয়ার্থ প্রায় ৮৫০ মিলিয়ন ডলার বলে অনুমান করা হচ্ছে, এবং ক্যারিয়ার জুড়ে তাঁর মোট উপার্জন ১.৬ বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়েছে। 

ছবি কৃতজ্ঞতা : Gemini AI

রিফাত জামিল ইউসুফজাই

জাতিতে বাঙ্গালী, তবে পূর্ব পূরুষরা নাকি এসেছিলো আফগানিস্তান থেকে - পাঠান ওসমান খানের নেতৃত্বে মোঘলদের বিরুদ্ধে লড়াই করতে। লড়াই এ ওসমান খান নিহত এবং তার বাহিনী পরাজিত ও পর্যূদস্ত হয়ে ছড়িয়ে পড়ে টাঙ্গাইলের ২২ গ্রামে। একসময় কালিহাতি উপজেলার চারাণ গ্রামে থিতু হয় তাদেরই কোন একজন। এখন আমি থাকি বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকায়। কোন এককালে শখ ছিলো শর্টওয়েভ রেডিও শোনা। প্রথম বিদেশ ভ্রমণে একমাত্র কাজ ছিলো একটি ডিজিটাল রেডিও কেনা। ১৯৯০ সালে ষ্টকহোমে কেনা সেই ফিলিপস ডি ২৯৩৫ রেডিও এখনও আছে। দিন-রাত রেডিও শুনে রিসেপশন রিপোর্ট পাঠানো আর QSL কার্ড সংগ্রহ করা - নেশার মতো ছিলো সেসময়। আস্তে আস্তে সেই শখ থিতু হয়ে আসে। জায়গা নেয় ছবি তোলা। এখনও শিখছি এবং তুলছি নানা রকম ছবি। কয়েক মাস ধরে শখ হয়েছে ক্র্যাফটিং এর। মূলত গয়না এবং নানা রকম কার্ড তৈরী, সাথে এক-আধটু স্ক্র্যাপবুকিং। সাথে মাঝে মধ্যে ব্লগ লেখা আর জাবর কাটা। এই নিয়েই চলছে জীবন বেশ।