ইয়াহিয়া

ইয়াহিয়া আল-জৌবি (Yahea Al-Zoobi) বর্তমান আরব বিশ্বের সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মগুলোর অন্যতম শীর্ষস্থানীয় এবং জনপ্রিয় ডিজিটাল কনটেন্ট ক্রিয়েটর। মূলত কমেডি স্কেচ, মজাদার প্র্যাঙ্ক (prank) ভিডিও এবং সোশ্যাল এক্সপেরিমেন্ট তৈরি করে তিনি মধ্যপ্রাচ্যসহ বিশ্বজুড়ে কোটি কোটি দর্শকের মন জয় করেছেন। প্রয়াত সোশ্যাল মিডিয়া ইনফ্লুয়েন্সার আজিজ আল আহমদের সাথে তাঁর চমৎকার অন-স্ক্রিন রসায়ন এবং যৌথ ভিডিওগুলো তাঁকে ইন্টারনেট দুনিয়ায় এক অনন্য উচ্চতায় নিয়ে গেছে।

ইয়াহিয়া আল-জৌবি জর্ডানে জন্মগ্রহণ করেন এবং সেখানেই বেড়ে ওঠেন। ছোটবেলা থেকেই তাঁর মধ্যে মানুষকে হাসানোর এক সহজাত ক্ষমতা ছিল। সোশ্যাল মিডিয়ার উত্থানের সাথে সাথে তিনি নিজের এই প্রতিভাকে কাজে লাগানোর সিদ্ধান্ত নেন। ফেসবুক, ইউটিউব এবং পরবর্তীতে টিকটক ও ইনস্টাগ্রামে তিনি নিয়মিত কমেডি ভিডিও আপলোড করা শুরু করেন। তাঁর নিখাদ রসবোধ, চমৎকার এক্সপ্রেশন এবং সাধারণ মানুষের সাথে সহজভাবে মিশে যাওয়ার ক্ষমতা তাঁকে খুব দ্রুত পরিচিতি এনে দেয়।

ইয়াহিয়ার ভিডিওগুলোর মূল আকর্ষণ হলো এর সরলতা ও তাৎক্ষণিক রসবোধ। তাঁর কনটেন্টের প্রধান দিকগুলো হলো:

  • প্র্যাঙ্ক ভিডিও: রাস্তায় সাধারণ মানুষের সাথে বা তাঁর বন্ধুদের সাথে করা তাঁর প্র্যাঙ্কগুলো কখনো অতিমাত্রায় আপত্তিকর হয় না, বরং তা হয় ভীষণ হাস্যরসাত্মক ও মার্জিত।

  • আজিজ আল আহমদের সাথে জুটি: ইয়াহিয়ার ক্যারিয়ারের অন্যতম টার্নিং পয়েন্ট ছিল সৌদি আরবের বিশেষ ক্ষমতাসম্পন্ন ইনফ্লুয়েন্সার আজিজ আল আহমদের (আজিজ আল আসমার) সাথে তাঁর বন্ধুত্ব ও যৌথ ভিডিওগুলো। ইয়াহিয়ার দীর্ঘ শারীরিক গড়ন এবং আজিজের শিশুর মতো শারীরিক কাঠামোর বৈপরীত্যকে ব্যবহার করে তাঁরা যে মজাদার গ্যাংস্টার বা ধনী ব্যবসায়ীর স্ক্রিপ্টেড ভিডিওগুলো বানাতেন, তা টিকটক ও ইনস্টাগ্রামে কয়েকশো মিলিয়ন ভিউ পার করেছিল।

  • অভিনয় ও রিয়েল-লাইফ কমেডি: তিনি বিভিন্ন সমসাময়িক সামাজিক বিষয়কে ব্যঙ্গাত্মক বা প্যারোডি আকারে ফুটিয়ে তোলেন, যা মধ্যপ্রাচ্যের দর্শকদের জীবনের সাথে খুব সহজেই মিলে যায়।

বর্তমানে জর্ডান, সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাতসহ পুরো আরব বিশ্বে ইয়াহিয়া আল-জৌবি একটি পরিচিত নাম। টিকটক, ইউটিউব এবং ইনস্টাগ্রাম মিলিয়ে তাঁর ফলোয়ার সংখ্যা কয়েক কোটি। তাঁর বিনোদনমূলক ভিডিওগুলোর জন্য তিনি বিভিন্ন নামী ব্র্যান্ডের সাথে কাজ করেছেন এবং মধ্যপ্রাচ্যের শীর্ষস্থানীয় ডিজিটাল ইনফ্লুয়েন্সারদের একজন হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছেন। ২০২৩ সালে তাঁর ঘনিষ্ঠ বন্ধু আজিজের মৃত্যুর পর তিনি মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছিলেন এবং ভক্তদের সাথে সেই শোক ভাগ করেছিলেন, যা তাঁর মানবিক দিকটিকেও ফুটিয়ে তোলে। এরপরও তিনি তাঁর কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন এবং মানুষকে হাসিয়ে চলেছেন।

তাঁর বর্তমান বয়স ১৬ বৎসর।

ছবি : ইন্টারনেট

 

রিফাত জামিল ইউসুফজাই

জাতিতে বাঙ্গালী, তবে পূর্ব পূরুষরা নাকি এসেছিলো আফগানিস্তান থেকে - পাঠান ওসমান খানের নেতৃত্বে মোঘলদের বিরুদ্ধে লড়াই করতে। লড়াই এ ওসমান খান নিহত এবং তার বাহিনী পরাজিত ও পর্যূদস্ত হয়ে ছড়িয়ে পড়ে টাঙ্গাইলের ২২ গ্রামে। একসময় কালিহাতি উপজেলার চারাণ গ্রামে থিতু হয় তাদেরই কোন একজন। এখন আমি থাকি বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকায়। কোন এককালে শখ ছিলো শর্টওয়েভ রেডিও শোনা। প্রথম বিদেশ ভ্রমণে একমাত্র কাজ ছিলো একটি ডিজিটাল রেডিও কেনা। ১৯৯০ সালে ষ্টকহোমে কেনা সেই ফিলিপস ডি ২৯৩৫ রেডিও এখনও আছে। দিন-রাত রেডিও শুনে রিসেপশন রিপোর্ট পাঠানো আর QSL কার্ড সংগ্রহ করা - নেশার মতো ছিলো সেসময়। আস্তে আস্তে সেই শখ থিতু হয়ে আসে। জায়গা নেয় ছবি তোলা। এখনও শিখছি এবং তুলছি নানা রকম ছবি। কয়েক মাস ধরে শখ হয়েছে ক্র্যাফটিং এর। মূলত গয়না এবং নানা রকম কার্ড তৈরী, সাথে এক-আধটু স্ক্র্যাপবুকিং। সাথে মাঝে মধ্যে ব্লগ লেখা আর জাবর কাটা। এই নিয়েই চলছে জীবন বেশ।