রূপপুর

বাংলাদেশের জ্বালানি খাতে একটি ঐতিহাসিক মাইলফলক হলো রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র-এ পারমাণবিক জ্বালানি লোডিং শুরু হওয়া। এটি দেশের প্রথম পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র, যা পাবনা জেলার রূপপুরে অবস্থিত। এই প্রকল্প বাস্তবায়নে বাংলাদেশকে প্রযুক্তিগত সহায়তা প্রদান করছে রাশিয়া

পারমাণবিক জ্বালানি লোডিং একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ধাপ, কারণ এর মাধ্যমে বিদ্যুৎ উৎপাদনের জন্য রিঅ্যাক্টর প্রস্তুত হয়। এটি শুধু প্রযুক্তিগত অগ্রগতি নয়, বরং দেশের বিদ্যুৎ ঘাটতি পূরণে একটি যুগান্তকারী পদক্ষেপ। এই প্রকল্প চালু হলে দেশের শিল্প, কৃষি এবং দৈনন্দিন জীবনে বিদ্যুতের স্থিতিশীলতা নিশ্চিত হবে।

এছাড়া, রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। এটি জীবাশ্ম জ্বালানির ওপর নির্ভরতা কমাবে এবং পরিবেশবান্ধব শক্তি উৎপাদনে সহায়তা করবে।

সব মিলিয়ে, রূপপুরে পারমাণবিক জ্বালানি লোডিং শুরু হওয়া বাংলাদেশের উন্নয়ন যাত্রায় এক নতুন দিগন্ত উন্মোচন করেছে, যা দেশকে আরও শক্তিশালী ও আত্মনির্ভরশীল করে তুলবে।

ফটো ক্রেডিট (রূপপুরের কাল্পনিক চিত্র) : চ্যাটজিপিটি 

ফেসবুক মন্তব্য

রিফাত জামিল ইউসুফজাই

জাতিতে বাঙ্গালী, তবে পূর্ব পূরুষরা নাকি এসেছিলো আফগানিস্তান থেকে - পাঠান ওসমান খানের নেতৃত্বে মোঘলদের বিরুদ্ধে লড়াই করতে। লড়াই এ ওসমান খান নিহত এবং তার বাহিনী পরাজিত ও পর্যূদস্ত হয়ে ছড়িয়ে পড়ে টাঙ্গাইলের ২২ গ্রামে। একসময় কালিহাতি উপজেলার চারাণ গ্রামে থিতু হয় তাদেরই কোন একজন। এখন আমি থাকি বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকায়। কোন এককালে শখ ছিলো শর্টওয়েভ রেডিও শোনা। প্রথম বিদেশ ভ্রমণে একমাত্র কাজ ছিলো একটি ডিজিটাল রেডিও কেনা। ১৯৯০ সালে ষ্টকহোমে কেনা সেই ফিলিপস ডি ২৯৩৫ রেডিও এখনও আছে। দিন-রাত রেডিও শুনে রিসেপশন রিপোর্ট পাঠানো আর QSL কার্ড সংগ্রহ করা - নেশার মতো ছিলো সেসময়। আস্তে আস্তে সেই শখ থিতু হয়ে আসে। জায়গা নেয় ছবি তোলা। এখনও শিখছি এবং তুলছি নানা রকম ছবি। কয়েক মাস ধরে শখ হয়েছে ক্র্যাফটিং এর। মূলত গয়না এবং নানা রকম কার্ড তৈরী, সাথে এক-আধটু স্ক্র্যাপবুকিং। সাথে মাঝে মধ্যে ব্লগ লেখা আর জাবর কাটা। এই নিয়েই চলছে জীবন বেশ।