গ্রাফিক্স ডিজাইন

ফটোগ্রাফি শিখতে গিয়ে ফটোশপ ও টুকটাক শিখতে হয়েছিলো। তবে সেটা শুধূমাত্র ফটো প্রসেসিং করতে যতটুকু লাগে ততোটুকুই। এর বাইরে তেমন কিছু শেখা হয় নাই। মাঝে মধ্যেই ইউটিউব এবং উডেমি’তে ২/৩টা কোর্স আরম্ভ করি। তারপর একটা পর্যায়ে গিয়ে আবার ছেড়ে দেই। তবে এই দুই প্ল্যাটফর্মে সূবিধা হলো যখন খুশী তখন এগুলো দেখা যায়। উডেমি’তে কয়েকটা পেইড কোর্স কিনেছিলাম, সাথে ফ্রি কোর্সগুলো তো আছেই। 

যাই হোক। এরকম টুকটুক করে যখন কাজ শিখছি গ্রাফিক্সের তখন একজনের কাছ থেকে জানলাম ‘ক্যানভা’ নামে এক ওয়েব সাইট আছে যেখানে গ্রাফিক্স ডিজাইন পানির মতো সহজ। অনেকটা ড্র্যাগ এন্ড ড্রপ টাইপের। চেক করতে গিয়ে জানলাম এই ‘ক্যানভা’র এন্ড্রয়েড এপ ও আছে। তবে ফ্রি এবং পেইড ভার্ষন আলাদা। পেইড ভার্ষণে স্বভাবতই সূযোগ সূবিধা বেশী।  

এর মধ্যে একদিন ফেসবুকে একদিন স্পনসর্ড এড দেখলাম মাত্র ৯৯ টাকায় ক্যানভা’র পেইড ভার্ষণ পাওয়া যাচ্ছে। খোঁজ নিয়ে দেখি এটা পুরোপুরি লেজিট। ক্যানভার একটা শিক্ষামূলক ভার্ষণ আছে যেখানে গ্রুপ হিসেবে মেম্বারশিপ দেয়া হয়। এরা সেই ভার্শনটা নিয়ে ষ্টুডেন্ট হিসেবে এনরোল করছে। 

নিয়ে নিলাম এরপর। অপেক্ষাকৃত সহজই বলা চলে। বিভিন্ন এলিমেন্ট তৈরী করাই আছে। কেবল ড্র্যাগ এন্ড ড্রপ। তারপর প্রয়োজন মতো পরিবর্ধন, পরিবর্তন এবং পরিমার্জন। আবার কিছু কিছু জিনিস সম্পূর্ণ তৈরী করাই আছে। প্রয়োজন মতো টেক্সট ইত্যাদি পরিবর্তন করে নিলেই হবে। 

গত ২/৩ দিন ধরে এই ক্যানভা দিয়েই টুকটাক কাজ করছি। বলা ভাল হাত পাকাচ্ছি। প্রথম কাজ নিজের জন্য একটা লোগো তৈরী করলাম। 

লোগোর ব্যবহার

 

আজ তৈরী করলাম এই লোগো। লোগো বলে ছোট হয়েছে, তবে এটি বড় করে পোষ্টার / লিফলেটে ব্যবহার করা যাবে।

 

যারা ৯৯ টাকায় ক্যানভা’র এক্সেস পেতে আগ্রহী তারা এই পেজে যোগাযোগ করতে পারেন। 
ভাল থাকুন নিরন্তর !!!

 

 

রিফাত জামিল ইউসুফজাই

জাতিতে বাঙ্গালী, তবে পূর্ব পূরুষরা নাকি এসেছিলো আফগানিস্তান থেকে - পাঠান ওসমান খানের নেতৃত্বে মোঘলদের বিরুদ্ধে লড়াই করতে। লড়াই এ ওসমান খান নিহত এবং তার বাহিনী পরাজিত ও পর্যূদস্ত হয়ে ছড়িয়ে পড়ে টাঙ্গাইলের ২২ গ্রামে। একসময় কালিহাতি উপজেলার চারাণ গ্রামে থিতু হয় তাদেরই কোন একজন। এখন আমি থাকি বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকায়। কোন এককালে শখ ছিলো শর্টওয়েভ রেডিও শোনা। প্রথম বিদেশ ভ্রমণে একমাত্র কাজ ছিলো একটি ডিজিটাল রেডিও কেনা। ১৯৯০ সালে ষ্টকহোমে কেনা সেই ফিলিপস ডি ২৯৩৫ রেডিও এখনও আছে। দিন-রাত রেডিও শুনে রিসেপশন রিপোর্ট পাঠানো আর QSL কার্ড সংগ্রহ করা - নেশার মতো ছিলো সেসময়। আস্তে আস্তে সেই শখ থিতু হয়ে আসে। জায়গা নেয় ছবি তোলা। এখনও শিখছি এবং তুলছি নানা রকম ছবি। কয়েক মাস ধরে শখ হয়েছে ক্র্যাফটিং এর। মূলত গয়না এবং নানা রকম কার্ড তৈরী, সাথে এক-আধটু স্ক্র্যাপবুকিং। সাথে মাঝে মধ্যে ব্লগ লেখা আর জাবর কাটা। এই নিয়েই চলছে জীবন বেশ।