বই পড়া

বই পড়া মানুষের জীবনের অন্যতম সুন্দর অভ্যাস। এটি শুধু সময় কাটানোর মাধ্যম নয়, বরং জ্ঞান অর্জন, কল্পনাশক্তির বিকাশ এবং মানসিক প্রশান্তির একটি গুরুত্বপূর্ণ উপায়। একটি ভালো বই যেন এক বিশ্বস্ত বন্ধুর মতো, যে কখনো একঘেয়েমি আনে না, বরং নতুন নতুন ভাবনা ও অনুভূতির সাথে পরিচয় করিয়ে দেয়।

বই পড়ার মাধ্যমে আমরা অজানা জগতে ভ্রমণ করতে পারি, ইতিহাস জানতে পারি, বিজ্ঞানকে বুঝতে পারি এবং মানুষের মনোজগত সম্পর্কে গভীর ধারণা লাভ করি। বিশেষ করে গল্প, উপন্যাস কিংবা ভ্রমণকাহিনী পড়ার সময় আমরা যেন নিজের অজান্তেই সেই জগতের অংশ হয়ে যাই। এতে আমাদের কল্পনাশক্তি সমৃদ্ধ হয় এবং চিন্তাধারা আরও প্রসারিত হয়।

এছাড়া বই পড়া মানসিক চাপ কমাতেও সাহায্য করে। ব্যস্ত জীবনের ফাঁকে একটি ভালো বই হাতে নিয়ে বসলে মন শান্ত হয়, চিন্তা পরিষ্কার হয় এবং এক ধরনের স্বস্তি অনুভূত হয়। এই কারণেই অনেকেই বই পড়াকে নিজের প্রিয় অবসর বিনোদন হিসেবে বেছে নেন।

বর্তমান প্রযুক্তিনির্ভর যুগে বই পড়ার অভ্যাস কিছুটা কমে গেলেও এর গুরুত্ব কোনোভাবেই কমে যায়নি। বরং ই-বুক, অডিওবুকের মাধ্যমে বই পড়া এখন আরও সহজলভ্য হয়েছে। তাই আমাদের উচিত এই সুন্দর অভ্যাসটিকে ধরে রাখা এবং নতুন প্রজন্মকেও বই পড়ায় উৎসাহিত করা।

সবশেষে বলা যায়, বই পড়া শুধু একটি অভ্যাস নয়, এটি এক ধরনের ভালো লাগা, যা মানুষকে সমৃদ্ধ করে, চিন্তাকে গভীর করে এবং জীবনের প্রতি নতুন দৃষ্টিভঙ্গি এনে দেয়।

রিফাত জামিল ইউসুফজাই

জাতিতে বাঙ্গালী, তবে পূর্ব পূরুষরা নাকি এসেছিলো আফগানিস্তান থেকে - পাঠান ওসমান খানের নেতৃত্বে মোঘলদের বিরুদ্ধে লড়াই করতে। লড়াই এ ওসমান খান নিহত এবং তার বাহিনী পরাজিত ও পর্যূদস্ত হয়ে ছড়িয়ে পড়ে টাঙ্গাইলের ২২ গ্রামে। একসময় কালিহাতি উপজেলার চারাণ গ্রামে থিতু হয় তাদেরই কোন একজন। এখন আমি থাকি বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকায়। কোন এককালে শখ ছিলো শর্টওয়েভ রেডিও শোনা। প্রথম বিদেশ ভ্রমণে একমাত্র কাজ ছিলো একটি ডিজিটাল রেডিও কেনা। ১৯৯০ সালে ষ্টকহোমে কেনা সেই ফিলিপস ডি ২৯৩৫ রেডিও এখনও আছে। দিন-রাত রেডিও শুনে রিসেপশন রিপোর্ট পাঠানো আর QSL কার্ড সংগ্রহ করা - নেশার মতো ছিলো সেসময়। আস্তে আস্তে সেই শখ থিতু হয়ে আসে। জায়গা নেয় ছবি তোলা। এখনও শিখছি এবং তুলছি নানা রকম ছবি। কয়েক মাস ধরে শখ হয়েছে ক্র্যাফটিং এর। মূলত গয়না এবং নানা রকম কার্ড তৈরী, সাথে এক-আধটু স্ক্র্যাপবুকিং। সাথে মাঝে মধ্যে ব্লগ লেখা আর জাবর কাটা। এই নিয়েই চলছে জীবন বেশ।