ডেঙ্গু

ডেঙ্গু বর্তমানে বাংলাদেশের একটি গুরুত্বপূর্ণ জনস্বাস্থ্য সমস্যা হিসেবে দেখা দিয়েছে। প্রতি বছর বর্ষা মৌসুমে ডেঙ্গুর প্রকোপ বৃদ্ধি পায়, যা সাধারণ মানুষের জন্য বড় ধরনের উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়ায়। ডেঙ্গু একটি ভাইরাসজনিত রোগ, যা এডিস প্রজাতির মশার মাধ্যমে ছড়ায়। এই মশা সাধারণত পরিষ্কার পানিতে জন্মায়, যেমন ফুলের টব, পানির ট্যাংক, পরিত্যক্ত টায়ার বা যেকোনো স্থির পানিতে।

ডেঙ্গুর প্রধান লক্ষণগুলোর মধ্যে রয়েছে হঠাৎ জ্বর, তীব্র মাথাব্যথা, চোখের পেছনে ব্যথা, শরীর ব্যথা, বমি ভাব এবং কখনো কখনো লাল ফুসকুড়ি। গুরুতর ক্ষেত্রে এটি ডেঙ্গু হেমোরেজিক ফিভার বা ডেঙ্গু শক সিনড্রোমে রূপ নিতে পারে, যা জীবননাশের ঝুঁকি তৈরি করে। তাই এসব লক্ষণ দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া অত্যন্ত জরুরি।

ডেঙ্গু প্রতিরোধের সবচেয়ে কার্যকর উপায় হলো মশার বংশবিস্তার রোধ করা। আশপাশে কোথাও তিন দিনের বেশি পানি জমে থাকতে দেওয়া যাবে না। নিয়মিত পানি জমে এমন স্থান পরিষ্কার করতে হবে এবং বাসাবাড়ির ছাদ, ফুলের টব বা ড্রেন পরিষ্কার রাখতে হবে। এছাড়া মশারি ব্যবহার, মশা নিরোধক স্প্রে বা কয়েল ব্যবহার করাও গুরুত্বপূর্ণ।

সচেতনতা ডেঙ্গু প্রতিরোধের মূল চাবিকাঠি। পরিবার থেকে শুরু করে সমাজের প্রতিটি মানুষকে এ বিষয়ে সচেতন হতে হবে। সবাই মিলে উদ্যোগ নিলে ডেঙ্গুর ভয়াবহতা অনেকাংশে কমানো সম্ভব। তাই আসুন, আমরা নিজেরা সচেতন হই এবং অন্যদেরও সচেতন করি—ডেঙ্গুমুক্ত বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে।

ছবি : চ্যাটজিপিটি

রিফাত জামিল ইউসুফজাই

জাতিতে বাঙ্গালী, তবে পূর্ব পূরুষরা নাকি এসেছিলো আফগানিস্তান থেকে - পাঠান ওসমান খানের নেতৃত্বে মোঘলদের বিরুদ্ধে লড়াই করতে। লড়াই এ ওসমান খান নিহত এবং তার বাহিনী পরাজিত ও পর্যূদস্ত হয়ে ছড়িয়ে পড়ে টাঙ্গাইলের ২২ গ্রামে। একসময় কালিহাতি উপজেলার চারাণ গ্রামে থিতু হয় তাদেরই কোন একজন। এখন আমি থাকি বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকায়। কোন এককালে শখ ছিলো শর্টওয়েভ রেডিও শোনা। প্রথম বিদেশ ভ্রমণে একমাত্র কাজ ছিলো একটি ডিজিটাল রেডিও কেনা। ১৯৯০ সালে ষ্টকহোমে কেনা সেই ফিলিপস ডি ২৯৩৫ রেডিও এখনও আছে। দিন-রাত রেডিও শুনে রিসেপশন রিপোর্ট পাঠানো আর QSL কার্ড সংগ্রহ করা - নেশার মতো ছিলো সেসময়। আস্তে আস্তে সেই শখ থিতু হয়ে আসে। জায়গা নেয় ছবি তোলা। এখনও শিখছি এবং তুলছি নানা রকম ছবি। কয়েক মাস ধরে শখ হয়েছে ক্র্যাফটিং এর। মূলত গয়না এবং নানা রকম কার্ড তৈরী, সাথে এক-আধটু স্ক্র্যাপবুকিং। সাথে মাঝে মধ্যে ব্লগ লেখা আর জাবর কাটা। এই নিয়েই চলছে জীবন বেশ।