অনলাইন ফ্রি ফটোগ্রাফি কোর্স

করোনাময় এই বিশ্বে অনেক দেশেই চলছে ঘোষিত-অঘোষিত লকডাউন। সবাই’কে ঘরে থাকতে বলা হচ্ছে। প্রয়োজনে বাইরে বের হলেও নিরাপদ দূরত্ব বজায় রাখতে, মাস্ক ব্যবহার করতে এবং নিয়মিত হাত ধূতে বলা হচ্ছে। বাংলাদেশও এর ব্যতিক্রম নয়। বাংলাদেশে সরকারীভাবে লকডাউন ঘোষণা না করা হলেও সরকারী ভাবে স্কুল-কলেজ এবং সরকারী প্রতিষ্ঠানগুলিতে ছুটি দেয়া হয়েছে। গণপরিবহনও আপাতত বন্ধ। কেবল প্রয়োজনীয় কিছু প্রতিষ্ঠান এবং সেবা কার্যক্রম চলছে।

এই পরিস্থিতি যদি আরো আগে হতো, মানে যখন ইন্টারনেট ছিলো না, ছিল না শত শত ক্যাবল টিভি তাহলে কেমন হতো ? ছোটবেলায় গুটি বসন্ত এবং কলেরার মহামারি ছিলো। তবে সেটি হয়তো কিছু এলাকায় সীমাবদ্ধ থাকতো। সেসময় আমাদের নিয়ম করে কলেরা এবং গুটি বসন্তের টিকা নিতে হতো।

আমরা এখন অনেকেই ইন্টারনেট, ক্যাবল টিভি’র যুগে বাস করছি, সেই সাথে অনেকেই এসব ব্যবহারের সূযোগ পাচ্ছি। বিশেষ করে হাতে হাতে মোবাইল ফোন থাকায় এসব পরিসেবা এখন হাতের মুঠোয় বলা চলে। মানুষ’কে ঘরে থাকার জন্য উৎসাহিত করার লক্ষে অনেকেই নানা কিছু অনলাইনে দিচ্ছে। যেমন  কিছুদিন আগে ফ্রো নো’জ খ্যাত জ্যারেড পোলেন তার বেসিক ফটোগ্রাফি কোর্স এবং ফ্ল্যাশ ফটোগ্রাফি কোর্স প্রায় বিনামূল্যেই দিয়েছিলো। সে বলেছিলো যে যা পারে তাই দিয়ে কিনতে পারবে তার এই কোর্সগুলো। টনি ও চেলসি নরথ্রুপ তাদের বেসিক ফটোগ্রাফি কোর্স (পিডিএফ + ভিডিও) এর দামও কমিয়েছিলো। সোদিন দেখলাম বেশ কিছু ব্যান্ড দল ইউটিউবে কনসার্ট করার পরিকল্পনা করছে।

উডেমি পরিচিত তাদের নানারকম কোর্সের জন্য। এর মধ্যে ফটোগ্রাফি কোর্সও আছে। আজ একজনের ফেসবুক ষ্ট্যাটাস অনুসরণ করে দেখলাম তাদের প্রায় ৪৫টি ফটোগ্রাফি কোর্স বর্তমানে ফ্রি দেয়া হচ্ছে। ইচ্ছে করলে আপনিও এই সময় এসব কোর্স করে রাখতে পারেন। একদম বেসিক কোর্স থেকে এডভান্স কোর্স সবই আছে এখানে। তবে এই কোর্সগুলোর কিছু লিমিটেশন আছে। এখানে আপনি শুধূ ভিডিও কন্টেন্ট গুলি দেখতে পারবেন। অন্য সব সূবিধা যেমন প্রশ্ন-উত্তর, সরাসরি ম্যাসেজ দেয়া বা কোর্স শেষে সার্টিফিকেট – এসব পাবেন না।

তাহলে আর দেরি কেন !?! আজই শুরু করে দিন পছন্দের কোর্স।
ফটোগ্রাফি কোর্স পাবেন এখানে 
অন্যান্য বিষয়ের উপর সকল ফ্রি কোর্স পাবেন এই লিংকে

ভাল থাকুন। ঘরেই থাকুন। বেশী বেশী কোর্স করুন।

 

 

রিফাত জামিল ইউসুফজাই

জাতিতে বাঙ্গালী, তবে পূর্ব পূরুষরা নাকি এসেছিলো আফগানিস্তান থেকে - পাঠান ওসমান খানের নেতৃত্বে মোঘলদের বিরুদ্ধে লড়াই করতে। লড়াই এ ওসমান খান নিহত এবং তার বাহিনী পরাজিত ও পর্যূদস্ত হয়ে ছড়িয়ে পড়ে টাঙ্গাইলের ২২ গ্রামে। একসময় কালিহাতি উপজেলার চারাণ গ্রামে থিতু হয় তাদেরই কোন একজন। এখন আমি থাকি বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকায়। কোন এককালে শখ ছিলো শর্টওয়েভ রেডিও শোনা। প্রথম বিদেশ ভ্রমণে একমাত্র কাজ ছিলো একটি ডিজিটাল রেডিও কেনা। ১৯৯০ সালে ষ্টকহোমে কেনা সেই ফিলিপস ডি ২৯৩৫ রেডিও এখনও আছে। দিন-রাত রেডিও শুনে রিসেপশন রিপোর্ট পাঠানো আর QSL কার্ড সংগ্রহ করা - নেশার মতো ছিলো সেসময়। আস্তে আস্তে সেই শখ থিতু হয়ে আসে। জায়গা নেয় ছবি তোলা। এখনও শিখছি এবং তুলছি নানা রকম ছবি। কয়েক মাস ধরে শখ হয়েছে ক্র্যাফটিং এর। মূলত গয়না এবং নানা রকম কার্ড তৈরী, সাথে এক-আধটু স্ক্র্যাপবুকিং। সাথে মাঝে মধ্যে ব্লগ লেখা আর জাবর কাটা। এই নিয়েই চলছে জীবন বেশ।