সাহায্য

রাস্তায় কাউকে কোন ঠিকানা জিজ্ঞাসা করলে বেশীরভাগ সময় ভুল পথে যেতে হয়। খূব কম সময়ই আমি সঠিক পথের সন্ধান পেয়েছি অথবা এটলিষ্ট শুনেছি ‘ভাই জানি না’।
 
সেদিন ভিন্ন রকমের অভিজ্ঞতা হলো। উত্তরা উত্তর মেট্রোষ্টেশনে নেমে বিআরটিসির বাসে উঠেছি। পাশের ভদ্রলোক জিজ্ঞাসা করলেন এই বাস এয়ারপোর্টের দিকে যাবে কিনা। তাকে বললাম তাকে হাউজ বিল্ডিং নেমে রাস্তার উল্টা দিকে যেয়ে এয়ারপোর্ট গামী বাসে উঠতে হবে।
 
বাস চলছে। ভদ্রলোক কার সাথে যেন আলাপ করছেন ফোনে। তার কথা শেষ হওয়ার পর জিজ্ঞাসা করলাম আপনি আসলে কোন সেক্টরে যাবেন। বললেন তার ভাই এয়ারপোর্টে চাকরি করেন, রাজলক্ষী থেকে তাকে নিয়ে যাবেন। আমি তখন বললাম আপনি তাহলে জমজম টাওয়ার নেমে রিক্সা নিয়ে যেতে পারেন। ভদ্রলোক ধন্যবাদ জানালেন।
 
বাস আরেকটু গিয়ে থামলো। জানালা দিয়ে সেক্টর ১২ এর সাইনবোর্ড দেখে বললেন আমি তো এখানেও নামতে পারি ১৫ নাম্বার সেক্টরে যেতে চাইলে ? 
 
আমি হেসে দিয়ে বললাম আপনি যদি শুরুতেই বলতেন ১৫ নাম্বার সেক্টরে যাবেন তাহলে এই বাসে উঠার দরকারই ছিলো না। মে্ট্রো থেকে নেমেই রিক্সা নিয়ে সরাসরি ১৫ নাম্বারে যেতে পারতেন। ষ্টেশন ১৫ নাম্বার সেক্টর শেষ বা শুরুতেই ছিলো।

ফেসবুক মন্তব্য

রিফাত জামিল ইউসুফজাই

জাতিতে বাঙ্গালী, তবে পূর্ব পূরুষরা নাকি এসেছিলো আফগানিস্তান থেকে - পাঠান ওসমান খানের নেতৃত্বে মোঘলদের বিরুদ্ধে লড়াই করতে। লড়াই এ ওসমান খান নিহত এবং তার বাহিনী পরাজিত ও পর্যূদস্ত হয়ে ছড়িয়ে পড়ে টাঙ্গাইলের ২২ গ্রামে। একসময় কালিহাতি উপজেলার চারাণ গ্রামে থিতু হয় তাদেরই কোন একজন। এখন আমি থাকি বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকায়। কোন এককালে শখ ছিলো শর্টওয়েভ রেডিও শোনা। প্রথম বিদেশ ভ্রমণে একমাত্র কাজ ছিলো একটি ডিজিটাল রেডিও কেনা। ১৯৯০ সালে ষ্টকহোমে কেনা সেই ফিলিপস ডি ২৯৩৫ রেডিও এখনও আছে। দিন-রাত রেডিও শুনে রিসেপশন রিপোর্ট পাঠানো আর QSL কার্ড সংগ্রহ করা - নেশার মতো ছিলো সেসময়। আস্তে আস্তে সেই শখ থিতু হয়ে আসে। জায়গা নেয় ছবি তোলা। এখনও শিখছি এবং তুলছি নানা রকম ছবি। কয়েক মাস ধরে শখ হয়েছে ক্র্যাফটিং এর। মূলত গয়না এবং নানা রকম কার্ড তৈরী, সাথে এক-আধটু স্ক্র্যাপবুকিং। সাথে মাঝে মধ্যে ব্লগ লেখা আর জাবর কাটা। এই নিয়েই চলছে জীবন বেশ।