কিনোকুনিয়া

এই মুহূর্তে ফেসবুকে ঢাকার সবচেয়ে আলোচিত জায়গাগুলোর একটি, জাপানি বুকশপ কিনোকুনিয়া (Kinokuniya)
বই পড়ার অভ্যাস টুকটাক আছেই, তাই বইয়ের খবরাখবরও রাখি নিয়মিত। বেশিরভাগ সময় নির্ভর করতে হয় অনলাইন বুকশপ আর ফেসবুকের অসংখ্য বুকসেলারদের উপর। কিনোকুনিয়ার খবরটাও প্রথম পেয়েছিলাম ফেসবুক থেকেই।

যাবো, যাবো করতে করতে আজ অবশেষে চলে গেলাম।
যাওয়ার উদ্দেশ্য অবশ্য বই কেনা না, কারণ মাস শেষে আমদানিকৃত বই কেনার মতো বাজেট পকেটে ছিল না ।

মূলতঃ খুঁজছিলাম ফটোগ্রাফির বই।
আর্ট, ডিজাইন আর আর্কিটেকচারের বইয়ের বিশাল কালেকশনের মাঝে হঠাৎ করে ৩/৪টা ফটোগ্রাফির বই চোখে পড়লো। হয়তো আরও ছিল, কিন্তু উপরের তাকের বইগুলোর নাম ঠিকমতো দেখা যাচ্ছিল না।

দাম মোটামুটি এক্সপেক্টেডই ছিলো। কারণ এর আগে থার্ড পার্টির মাধ্যমে Amazon থেকে কিছু ফটোবুক এনেছিলাম, তাই একটা ধারণা ছিল।
Ansel Adams-এর একটি বই বেশ পছন্দ হয়েছিল, দাম প্রায় ৬,৫০০ টাকা। এছাড়া আরও কয়েকটা বই দেখলাম ৪,৫০০–৫,৫০০ টাকার মধ্যে।

ফটোগ্রাফি বই কম থাকলেও, অন্যান্য ক্যাটাগরিতে ভরপুর বই ছিলো। বিশেষ করে ফিকশন, মাঙ্গা, রান্নার বইসহ নানা ধরণের কালেকশন।

বাংলা বইও আছে, তবে যতটুকু দেখলাম, বেশিরভাগই পশ্চিমবঙ্গের প্রকাশনা। এগুলোর দাম বাতিঘরের তুলনায় কম না বেশি, এটা পরে যাচাই করা যেতে পারে।

সময় পেলে এই বুকশপটা ঘুরে আসতেই পারেন।
কেনাকাটা করুন বা না করুন, ছবি তুলতে ভুলবেন না

রিফাত জামিল ইউসুফজাই

জাতিতে বাঙ্গালী, তবে পূর্ব পূরুষরা নাকি এসেছিলো আফগানিস্তান থেকে - পাঠান ওসমান খানের নেতৃত্বে মোঘলদের বিরুদ্ধে লড়াই করতে। লড়াই এ ওসমান খান নিহত এবং তার বাহিনী পরাজিত ও পর্যূদস্ত হয়ে ছড়িয়ে পড়ে টাঙ্গাইলের ২২ গ্রামে। একসময় কালিহাতি উপজেলার চারাণ গ্রামে থিতু হয় তাদেরই কোন একজন। এখন আমি থাকি বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকায়। কোন এককালে শখ ছিলো শর্টওয়েভ রেডিও শোনা। প্রথম বিদেশ ভ্রমণে একমাত্র কাজ ছিলো একটি ডিজিটাল রেডিও কেনা। ১৯৯০ সালে ষ্টকহোমে কেনা সেই ফিলিপস ডি ২৯৩৫ রেডিও এখনও আছে। দিন-রাত রেডিও শুনে রিসেপশন রিপোর্ট পাঠানো আর QSL কার্ড সংগ্রহ করা - নেশার মতো ছিলো সেসময়। আস্তে আস্তে সেই শখ থিতু হয়ে আসে। জায়গা নেয় ছবি তোলা। এখনও শিখছি এবং তুলছি নানা রকম ছবি। কয়েক মাস ধরে শখ হয়েছে ক্র্যাফটিং এর। মূলত গয়না এবং নানা রকম কার্ড তৈরী, সাথে এক-আধটু স্ক্র্যাপবুকিং। সাথে মাঝে মধ্যে ব্লগ লেখা আর জাবর কাটা। এই নিয়েই চলছে জীবন বেশ।