বরেন্দ্র অঞ্চলে পানি সংকট

রাজশাহী, নওগাঁ ও চাঁপাইনবাবগঞ্জের বরেন্দ্র অঞ্চলে ভয়াবহ পানিসংকট দেখা দিয়েছে। একসময় ব্যবহৃত পুকুর ও নলকূপ এখন প্রায় অকার্যকর, ফলে খাওয়ার পানির জন্য মানুষকে দূর দূরান্তে যেতে হচ্ছে। নির্বিচারে ভূগর্ভস্থ পানি উত্তোলনের কারণে পানিধারক স্তর (অ্যাকুইফার) ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে পানি পুনর্ভরণ বন্ধ হয়ে গেছে। এতে সেচব্যবস্থা ভেঙে পড়ছে, কৃষি উৎপাদন কমছে এবং অনেক জমি অনাবাদি হয়ে যাচ্ছে।

সরকার ইতিমধ্যে বহু এলাকা ‘অতি উচ্চ’, ‘উচ্চ’ ও ‘মধ্যম’ পানিসংকটাপন্ন হিসেবে ঘোষণা করে ভূগর্ভস্থ পানি ব্যবহারে বিধিনিষেধ আরোপ করেছে। তবে বাস্তবে এসব নিয়ম মানা হচ্ছে না, ফলে সংকট আরও তীব্র হচ্ছে।

বর্তমানে প্রায় ২১ লাখ মানুষ এই সংকটে ভুগছে। বিশেষজ্ঞরা দ্রুত বিকল্প পানির উৎস (ভূ-উপরিস্থ পানি) ব্যবহারের ওপর জোর দিচ্ছেন। একই সঙ্গে কৃষিতে পরিবর্তন এনে কম পানিনির্ভর ফসল চাষ এবং পানি ব্যবস্থাপনায় কার্যকর নিয়ন্ত্রণ না আনলে ভবিষ্যতে আরও বড় বিপর্যয়ের আশঙ্কা রয়েছে।

ফটো ক্রেডিট : চ্যাটজিপিটি

ফেসবুক মন্তব্য

রিফাত জামিল ইউসুফজাই

জাতিতে বাঙ্গালী, তবে পূর্ব পূরুষরা নাকি এসেছিলো আফগানিস্তান থেকে - পাঠান ওসমান খানের নেতৃত্বে মোঘলদের বিরুদ্ধে লড়াই করতে। লড়াই এ ওসমান খান নিহত এবং তার বাহিনী পরাজিত ও পর্যূদস্ত হয়ে ছড়িয়ে পড়ে টাঙ্গাইলের ২২ গ্রামে। একসময় কালিহাতি উপজেলার চারাণ গ্রামে থিতু হয় তাদেরই কোন একজন। এখন আমি থাকি বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকায়। কোন এককালে শখ ছিলো শর্টওয়েভ রেডিও শোনা। প্রথম বিদেশ ভ্রমণে একমাত্র কাজ ছিলো একটি ডিজিটাল রেডিও কেনা। ১৯৯০ সালে ষ্টকহোমে কেনা সেই ফিলিপস ডি ২৯৩৫ রেডিও এখনও আছে। দিন-রাত রেডিও শুনে রিসেপশন রিপোর্ট পাঠানো আর QSL কার্ড সংগ্রহ করা - নেশার মতো ছিলো সেসময়। আস্তে আস্তে সেই শখ থিতু হয়ে আসে। জায়গা নেয় ছবি তোলা। এখনও শিখছি এবং তুলছি নানা রকম ছবি। কয়েক মাস ধরে শখ হয়েছে ক্র্যাফটিং এর। মূলত গয়না এবং নানা রকম কার্ড তৈরী, সাথে এক-আধটু স্ক্র্যাপবুকিং। সাথে মাঝে মধ্যে ব্লগ লেখা আর জাবর কাটা। এই নিয়েই চলছে জীবন বেশ।