রুড গুলিট

রুড গুলিট: ফুটবলের এক ‘টোটাল’ আইকন

ফুটবল ইতিহাসে খুব কম খেলোয়াড়ই রুড গুলিটের মতো বহুমুখী প্রতিভা নিয়ে জন্মেছেন। মাঠের যেকোনো পজিশনে খেলার অসামান্য ক্ষমতা এবং তার সেই আইকনিক ‘ড্রেডলক’ চুল তাকে ফুটবল বিশ্বের এক অবিস্মরণীয় ব্যক্তিত্বে পরিণত করেছে।

ক্যারিয়ারের হাইলাইটস:

  • ব্যক্তিগত শ্রেষ্ঠত্ব: ১৯৮৭ সালে তিনি বিশ্বের সেরা ফুটবলার হিসেবে বালন ডি’অর (Ballon d’Or) জয় করেন।

  • জাতীয় দলের সাফল্য: ডাচ ফুটবলের ‘সোনালী প্রজন্মের’ অন্যতম কান্ডারি হিসেবে ১৯৮৮ সালে নেদারল্যান্ডসকে ইউরো চ্যাম্পিয়ন করতে প্রধান ভূমিকা রাখেন।

  • ক্লাব ক্যারিয়ার: এসি মিলানের হয়ে তিনি টানা দুইবার ইউরোপিয়ান কাপ (বর্তমানে চ্যাম্পিয়নস লিগ) জয় করেন। মার্কো ফন বাস্তেন এবং ফ্রাঙ্ক রাইকার্ডের সাথে তার ত্রয়ী জুটি আজও ফুটবলের অন্যতম সেরা হিসেবে গণ্য হয়।

“গুলিট ছিলেন এমন একজন খেলোয়াড়, যিনি রক্ষণভাগ থেকে শুরু করে মাঝমাঠ হয়ে আক্রমণভাগ—সবখানেই রাজত্ব করতে পারতেন।”

কেন তিনি অনন্য?

গুলিট কেবল একজন ফুটবলার ছিলেন না, তিনি ছিলেন মাঠের একজন নেতা। তার গেম রিডিং সেন্স, শারীরিক শক্তি এবং অসাধারণ টেকনিক্যাল স্কিল তাকে আধুনিক ফুটবলের ‘টোটাল ফুটবল’ দর্শনের এক জীবন্ত প্রতীক করে তুলেছিল।

তিনি শুধু একজন চ্যাম্পিয়নই নন, বরং স্টাইল এবং পারফরম্যান্সের এক নিখুঁত সংমিশ্রণ।

ফটো ক্রেডিট : Jörn Reuvers

ফেসবুক মন্তব্য

রিফাত জামিল ইউসুফজাই

জাতিতে বাঙ্গালী, তবে পূর্ব পূরুষরা নাকি এসেছিলো আফগানিস্তান থেকে - পাঠান ওসমান খানের নেতৃত্বে মোঘলদের বিরুদ্ধে লড়াই করতে। লড়াই এ ওসমান খান নিহত এবং তার বাহিনী পরাজিত ও পর্যূদস্ত হয়ে ছড়িয়ে পড়ে টাঙ্গাইলের ২২ গ্রামে। একসময় কালিহাতি উপজেলার চারাণ গ্রামে থিতু হয় তাদেরই কোন একজন। এখন আমি থাকি বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকায়। কোন এককালে শখ ছিলো শর্টওয়েভ রেডিও শোনা। প্রথম বিদেশ ভ্রমণে একমাত্র কাজ ছিলো একটি ডিজিটাল রেডিও কেনা। ১৯৯০ সালে ষ্টকহোমে কেনা সেই ফিলিপস ডি ২৯৩৫ রেডিও এখনও আছে। দিন-রাত রেডিও শুনে রিসেপশন রিপোর্ট পাঠানো আর QSL কার্ড সংগ্রহ করা - নেশার মতো ছিলো সেসময়। আস্তে আস্তে সেই শখ থিতু হয়ে আসে। জায়গা নেয় ছবি তোলা। এখনও শিখছি এবং তুলছি নানা রকম ছবি। কয়েক মাস ধরে শখ হয়েছে ক্র্যাফটিং এর। মূলত গয়না এবং নানা রকম কার্ড তৈরী, সাথে এক-আধটু স্ক্র্যাপবুকিং। সাথে মাঝে মধ্যে ব্লগ লেখা আর জাবর কাটা। এই নিয়েই চলছে জীবন বেশ।